মিয়ানমারের পাঁচ জলদস্যু আটক
jugantor
কোস্টগার্ডের অভিযান
মিয়ানমারের পাঁচ জলদস্যু আটক

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

১৩ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোস্টগার্ড সদস্যরা বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ মিয়ানমারের পাঁচ জলদস্যুকে আটক করেছে। সোমবার ভোরে কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের সদস্যরা তাদের আটক করে। এ সময় তাদের হাতে অপহৃত ৭ বাংলাদেশি জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

জলদস্যুদের নৌকা তল্লাশি করে ২টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৮ রাউন্ড কার্তুজ, ১০টি বিভিন্ন ধরনের বার্মিজ ধারালো অস্ত্র ও ১টি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হল- মো. বাকগুল্লা (২২), মো. শুকুর (২০), রবি আলম (২২), নুরুল আমিন (৩০) ও শফি আলম (২০)। তারা সবাই মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার আড়িপাড়া অঞ্চলের বাসিন্দা।

পরবর্তীতে অভিযানে উদ্ধারকৃত বাংলাদেশি জেলেদের ডুবে যাওয়া একটি নৌকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার জেলেরা টেকনাফের নোয়াখালী পাড়ার বাসিন্দা। আটককৃত জলদস্যু, উদ্ধার জেলেদের, জব্দ অস্ত্র ও অন্যান্য মালামাল টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার এম হায়াত ইবনে সিদ্দিক এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড তাদের আওতাভুক্ত এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তার পাশাপাশি জলদস্যুতা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্সনীতি অবলম্বন করে। নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

কোস্টগার্ডের অভিযান

মিয়ানমারের পাঁচ জলদস্যু আটক

 টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
১৩ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোস্টগার্ড সদস্যরা বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ মিয়ানমারের পাঁচ জলদস্যুকে আটক করেছে। সোমবার ভোরে কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের সদস্যরা তাদের আটক করে। এ সময় তাদের হাতে অপহৃত ৭ বাংলাদেশি জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

জলদস্যুদের নৌকা তল্লাশি করে ২টি দেশীয় একনলা বন্দুক, ৮ রাউন্ড কার্তুজ, ১০টি বিভিন্ন ধরনের বার্মিজ ধারালো অস্ত্র ও ১টি ইঞ্জিনচালিত কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হল- মো. বাকগুল্লা (২২), মো. শুকুর (২০), রবি আলম (২২), নুরুল আমিন (৩০) ও শফি আলম (২০)। তারা সবাই মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার আড়িপাড়া অঞ্চলের বাসিন্দা।

পরবর্তীতে অভিযানে উদ্ধারকৃত বাংলাদেশি জেলেদের ডুবে যাওয়া একটি নৌকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার জেলেরা টেকনাফের নোয়াখালী পাড়ার বাসিন্দা। আটককৃত জলদস্যু, উদ্ধার জেলেদের, জব্দ অস্ত্র ও অন্যান্য মালামাল টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার এম হায়াত ইবনে সিদ্দিক এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড তাদের আওতাভুক্ত এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তার পাশাপাশি জলদস্যুতা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে জিরো টলারেন্সনীতি অবলম্বন করে। নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।