খাতুনগঞ্জে কমছে পেঁয়াজের ঝাঁজ
jugantor
বিকল্প দেশ থেকে আমদানি
খাতুনগঞ্জে কমছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৫ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমার ও পাকিস্তানের পর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে চীন থেকে আসছে পেঁয়াজ। এর প্রভাবে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার চাকতাই-খাতুনগঞ্জে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যটির দাম কিছুটা নিুমুখী।

চীন ও পাকিস্তান থেকে আসা পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ৬০ টাকার মধ্যে রয়েছে। দেশি ও মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা কমে যথাক্রমে ৭৮ ও ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানির অপেক্ষায় থাকা বিভিন্ন দেশের পেঁয়াজ আসতে থাকলে পাইকারিতে দাম আরও কমবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের (কোয়ারেন্টিন) উপ-পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, ভারতের বিকল্প দেশ হিসেবে মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রথম পেঁয়াজ আসা শুরু হয়। গত কয়েকদিন ধরে চীনের পেঁয়াজও আসতে শুরু করেছে। প্রতি চালানে ৫০-৫২ টন করে এরই মধ্যে চীন থেকে কয়েকটি চালান এসেছে।

চীনা পেঁয়াজ বাজারে আসায় পাইকারিতে দাম কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন খাতুনগঞ্জ হামিদ উল্যাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস। তিনি বলেন, কিছু চীনা পেঁয়াজ বাজারে এসেছে। এগুলো আকারে বড় হলেও ঝাঁজ দেশি পেঁয়াজের মতো। দামও তুলনামূলক কম।

আড়তে প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অল্প কিছু পাকিস্তানি পেঁয়াজও আছে। বিক্রি হচ্ছে চীনা পেঁয়াজের দামেই। মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৬৮-৭০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৭৬-৭৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগের সপ্তাহে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৮০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এ দু’ধরনের পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১০ টাকার মতো কমেছে। দাম আরও নিচের দিকে নামবে।

নেদারল্যান্ডস, মিসর, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পেঁয়াজ আগামী সপ্তাহ থেকে আসা শুরু হতে পারে বলে আশা করছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা।

বিকল্প দেশ থেকে আমদানি

খাতুনগঞ্জে কমছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৫ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমার ও পাকিস্তানের পর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে চীন থেকে আসছে পেঁয়াজ। এর প্রভাবে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার চাকতাই-খাতুনগঞ্জে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যটির দাম কিছুটা নিুমুখী।

চীন ও পাকিস্তান থেকে আসা পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ৬০ টাকার মধ্যে রয়েছে। দেশি ও মিয়ানমারের পেঁয়াজের দাম গত সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা কমে যথাক্রমে ৭৮ ও ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানির অপেক্ষায় থাকা বিভিন্ন দেশের পেঁয়াজ আসতে থাকলে পাইকারিতে দাম আরও কমবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের (কোয়ারেন্টিন) উপ-পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, ভারতের বিকল্প দেশ হিসেবে মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রথম পেঁয়াজ আসা শুরু হয়। গত কয়েকদিন ধরে চীনের পেঁয়াজও আসতে শুরু করেছে। প্রতি চালানে ৫০-৫২ টন করে এরই মধ্যে চীন থেকে কয়েকটি চালান এসেছে।

চীনা পেঁয়াজ বাজারে আসায় পাইকারিতে দাম কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন খাতুনগঞ্জ হামিদ উল্যাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস। তিনি বলেন, কিছু চীনা পেঁয়াজ বাজারে এসেছে। এগুলো আকারে বড় হলেও ঝাঁজ দেশি পেঁয়াজের মতো। দামও তুলনামূলক কম।

আড়তে প্রতি কেজি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অল্প কিছু পাকিস্তানি পেঁয়াজও আছে। বিক্রি হচ্ছে চীনা পেঁয়াজের দামেই। মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৬৮-৭০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৭৬-৭৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগের সপ্তাহে মিয়ানমারের পেঁয়াজ ৮০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এ দু’ধরনের পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ১০ টাকার মতো কমেছে। দাম আরও নিচের দিকে নামবে।

নেদারল্যান্ডস, মিসর, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পেঁয়াজ আগামী সপ্তাহ থেকে আসা শুরু হতে পারে বলে আশা করছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা।