ঘুম থেকে চিরঘুমে ২ সহোদরসহ তিন তরুণ
jugantor
বারহাট্টায় ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু
ঘুম থেকে চিরঘুমে ২ সহোদরসহ তিন তরুণ

  নেত্রকোনা ও বারহাট্টা প্রতিনিধি  

১৯ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার স্বল্পদশাল গ্রামে রোববার ভোর ৬টার দিকে ট্রেনে কাটা পড়ে তিন ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মাছ ধরতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে তারা তিনজনই রেললাইনের ওপর শুয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তারা সেখানেই ঘুমিয়ে পড়েন। রেললাইনের ধারে স্থানীয় একটি ডোবায় তারা মাছ ধরছিলেন রাতভর। শেষ রাতে ক্লান্তবোধ করায় তারা সেখানে ঘুমিয়ে পড়েন।

ভোর ৬টায় ওই পথ দিয়ে ঢাকা থেকে মোহনগঞ্জের দিকে হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেন যাচ্ছিল। আর ওই সময়ই ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন তারা। হতভাগ্য এ ৩ তরুণ হচ্ছেন- স্বল্পদশাল গ্রামের আবদুল হেকিমের ছেলে স্বপন মিয়া (২২) ও রিপন মিয়া (২৪) এবং কোরবান আলীর ছেলে মুখলেস মিয়া (২৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রেললাইনের পাশে একটি ডোবা সেচে মাছ ধরছিলেন নিহত তিন যুবক। রাতভর মাছ ধরার পর রোববার ভোরের দিকে ক্লান্ত শরীর নিয়ে তারা রেললাইনের উপরই ঘুমিয়ে পড়েন। ফলে তারা তিনজনই ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সমর বড়ুয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সুরতহাল তৈরি করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বারহাট্টায় ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু

ঘুম থেকে চিরঘুমে ২ সহোদরসহ তিন তরুণ

 নেত্রকোনা ও বারহাট্টা প্রতিনিধি 
১৯ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার স্বল্পদশাল গ্রামে রোববার ভোর ৬টার দিকে ট্রেনে কাটা পড়ে তিন ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মাছ ধরতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে তারা তিনজনই রেললাইনের ওপর শুয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তারা সেখানেই ঘুমিয়ে পড়েন। রেললাইনের ধারে স্থানীয় একটি ডোবায় তারা মাছ ধরছিলেন রাতভর। শেষ রাতে ক্লান্তবোধ করায় তারা সেখানে ঘুমিয়ে পড়েন।

ভোর ৬টায় ওই পথ দিয়ে ঢাকা থেকে মোহনগঞ্জের দিকে হাওড় এক্সপ্রেস ট্রেন যাচ্ছিল। আর ওই সময়ই ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন তারা। হতভাগ্য এ ৩ তরুণ হচ্ছেন- স্বল্পদশাল গ্রামের আবদুল হেকিমের ছেলে স্বপন মিয়া (২২) ও রিপন মিয়া (২৪) এবং কোরবান আলীর ছেলে মুখলেস মিয়া (২৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রেললাইনের পাশে একটি ডোবা সেচে মাছ ধরছিলেন নিহত তিন যুবক। রাতভর মাছ ধরার পর রোববার ভোরের দিকে ক্লান্ত শরীর নিয়ে তারা রেললাইনের উপরই ঘুমিয়ে পড়েন। ফলে তারা তিনজনই ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন। মোহনগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সমর বড়ুয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সুরতহাল তৈরি করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জানান, নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।