ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যার কথা আদালতে স্বীকার
jugantor
ধুনটে ধানক্ষেতে বিধবার লাশ
ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যার কথা আদালতে স্বীকার

  বগুড়া ব্যুরো  

১৯ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে বিধবা ভিক্ষুক হাসিলা বেওয়া (৪৫) হত্যারহস্য উন্মোচিত হয়েছে। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়েই দুই সিএনজি চালক তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

রোববার সন্ধ্যায় দু’জন বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আসামিরা হলেন ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের আনারপুর কচুগাড়ি গ্রামের সামসুল মণ্ডলের ছেলে বাদশা আলম (৩৫) ও আনারপুর হঠাৎপাড়ার বাদু মণ্ডলের ছেলে ফজলুল হক (৩২)।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, হাসিলা বেওয়া ধুনটের ঘুগরাপাড়া গ্রামের শুকরা মণ্ডলের মেয়ে। প্রায় ২৫ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি বাপের বাড়িতে থাকতেন। ছেলে হাসেম আলী খালার বাড়িতে থেকে দিনমজুরি করেন। গত ১২ অক্টোবর সকালে হাসিলা বেওয়া তার বড় বোন একই গ্রামের মোজামের স্ত্রী ধলি বেগমের সাথে গ্রামে ভিক্ষা করতে বের হন। ১৩ অক্টোবর সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে একটি পতিত ধানক্ষেতে হাসিলার গলায় কাপড় দিয়ে ফাঁস দেয়া লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

ধুনটে ধানক্ষেতে বিধবার লাশ

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যার কথা আদালতে স্বীকার

 বগুড়া ব্যুরো 
১৯ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে বিধবা ভিক্ষুক হাসিলা বেওয়া (৪৫) হত্যারহস্য উন্মোচিত হয়েছে। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়েই দুই সিএনজি চালক তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

রোববার সন্ধ্যায় দু’জন বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আসামিরা হলেন ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের আনারপুর কচুগাড়ি গ্রামের সামসুল মণ্ডলের ছেলে বাদশা আলম (৩৫) ও আনারপুর হঠাৎপাড়ার বাদু মণ্ডলের ছেলে ফজলুল হক (৩২)।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, হাসিলা বেওয়া ধুনটের ঘুগরাপাড়া গ্রামের শুকরা মণ্ডলের মেয়ে। প্রায় ২৫ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি বাপের বাড়িতে থাকতেন। ছেলে হাসেম আলী খালার বাড়িতে থেকে দিনমজুরি করেন। গত ১২ অক্টোবর সকালে হাসিলা বেওয়া তার বড় বোন একই গ্রামের মোজামের স্ত্রী ধলি বেগমের সাথে গ্রামে ভিক্ষা করতে বের হন। ১৩ অক্টোবর সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে একটি পতিত ধানক্ষেতে হাসিলার গলায় কাপড় দিয়ে ফাঁস দেয়া লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়।