চেতনানাশক দই খাইয়ে কিশোরী নির্যাতন
jugantor
চেতনানাশক দই খাইয়ে কিশোরী নির্যাতন

  ময়মনসিংহ ব্যুরো  

২২ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহ সদরের চরহাসাদিয়ায় পরিবারের সবাইকে চেতনানাশক মেশানো দই খাইয়ে এক কিশোরীকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে মামাতো ভাই জাকারিয়া। সোমবার রাতের ঘটনাটি মঙ্গলবার জানাজানি হলে পুলিশ নির্যাতিতার আলামত পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনায় জড়িত জাকারিয়াকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার ও এলাকাবাসী। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছে সিপিবি নারী শাখা ও মহিলা পরিষদ নেতারাও।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, পরাণগঞ্জ ইউনিয়নের চরহাসাদিয়ায় নানির কাছে থাকে নির্যাতিতা ওই কিশোরী ও তার ছোট বোন। এ বছর এসএসসি পাস করেছে সে। তার মা মারা যাওয়ার পর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে ঢাকায় থাকেন। ওই রাতে জাকারিয়া দই এনে ওই কিশোরীসহ ছোট বোন ও নানিকে খেতে দেয়। দই খাওয়ার পরপরই সবাই অচেতন হয়ে পড়ে। এ সময় অচেতন ওই কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালায় জাকারিয়া। পরদিন সকালে ঘুম থেকে না ওঠায় বাড়ির লোকজন ডাকতে এসে দরজা খোলা ও সবাইকে অচেতন অবস্থায় দেখে।

নির্যাতিতা কিশোরী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় এক প্রভাবশালী বখাটে তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। তারই প্ররোচনায় জাকারিয়া তাকে অচেতন করে পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে।

চেতনানাশক দই খাইয়ে কিশোরী নির্যাতন

 ময়মনসিংহ ব্যুরো 
২২ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ময়মনসিংহ সদরের চরহাসাদিয়ায় পরিবারের সবাইকে চেতনানাশক মেশানো দই খাইয়ে এক কিশোরীকে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মামাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে মামাতো ভাই জাকারিয়া। সোমবার রাতের ঘটনাটি মঙ্গলবার জানাজানি হলে পুলিশ নির্যাতিতার আলামত পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনায় জড়িত জাকারিয়াকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে নির্যাতিতার পরিবার ও এলাকাবাসী। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছে সিপিবি নারী শাখা ও মহিলা পরিষদ নেতারাও।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, পরাণগঞ্জ ইউনিয়নের চরহাসাদিয়ায় নানির কাছে থাকে নির্যাতিতা ওই কিশোরী ও তার ছোট বোন। এ বছর এসএসসি পাস করেছে সে। তার মা মারা যাওয়ার পর বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করে ঢাকায় থাকেন। ওই রাতে জাকারিয়া দই এনে ওই কিশোরীসহ ছোট বোন ও নানিকে খেতে দেয়। দই খাওয়ার পরপরই সবাই অচেতন হয়ে পড়ে। এ সময় অচেতন ওই কিশোরীর ওপর নির্যাতন চালায় জাকারিয়া। পরদিন সকালে ঘুম থেকে না ওঠায় বাড়ির লোকজন ডাকতে এসে দরজা খোলা ও সবাইকে অচেতন অবস্থায় দেখে।

নির্যাতিতা কিশোরী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় এক প্রভাবশালী বখাটে তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। তারই প্ররোচনায় জাকারিয়া তাকে অচেতন করে পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছে।