৪০ ঘণ্টা পর পাঁচজনের লাশ উদ্ধার : মেরিন কোর্টে মামলা
jugantor
৪০ ঘণ্টা পর পাঁচজনের লাশ উদ্ধার : মেরিন কোর্টে মামলা

  রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্পিডবোট ডুবির ৪০ ঘণ্টা পর পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার আগুনমুখা নদী থেকে নিখোঁজ পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনের লাশ শনিবার সকালে উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- রাঙ্গাবালী থানার কনস্টেবল মহিব্বুল হক। তিনি বাকেরগঞ্জের জিরাইল গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে। কৃষি ব্যাংক রাঙ্গাবালীর বাহেরচর শাখার পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি পটুয়াখালীর আউলিয়াপুরের আবদুস সালাম হাওলাদারের ছেলে। এনজিও আশার রাঙ্গাবালীর খালগোড়া শাখার ঋণ অফিসার কবির হোসেন। তিনি বাউফলের কাশিপুরের লক্ষ্মীপাশা গ্রামের শাহজাহান সিকদারের ছেলে। পটুয়াখালীর ময়দান মাদ্রাসা এলাকার রহিম হাওলাদারের ছেলে হাসান ও বাউফলের জয়গোড়া এলাকার আলম হাওলাদারের ছেলে ইমরান। হাসান ও ইমরান রাঙ্গাবালীতে সড়ক নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার কোড়ালিয়া থেকে গলাচিপার পানপট্টির উদ্দেশে যাওয়া আহম্মেদ এন্টারপ্রাইজের এ স্পিডবোট আগুনমুখা নদীর মাঝে ঢেউয়ের তোড়ে তলা ফেটে চালকসহ ১৭ যাত্রী ডুবে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার দেড়ঘণ্টা পর চালকসহ ১৩ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও পাঁচজন নিখোঁজ ছিলেন।

মেরিন কোর্টে মামলা : স্পিডবোট পরিচালনাকারী ও চালকের বিরুদ্ধে মেরিন কোর্টে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার বিআইডব্লিউটিএ’র পটুয়াখালী নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঘাট ত্যাগ, রুট পারমিট অনুযায়ী চলাচল না করা, সনদধারী চালক না থাকা ও যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরিধান না করানোসহ নানা অপরাধে এ মামলা করা হয় বলে শনিবার নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডাব্লিউটিএ) পটুয়াখালী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক খাজা সাদিকুর রহমান। তিনি বলেন, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। আপাতত মামলার বিবাদীদের নাম বলা যাচ্ছে না।

৪০ ঘণ্টা পর পাঁচজনের লাশ উদ্ধার : মেরিন কোর্টে মামলা

 রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্পিডবোট ডুবির ৪০ ঘণ্টা পর পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার আগুনমুখা নদী থেকে নিখোঁজ পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনের লাশ শনিবার সকালে উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- রাঙ্গাবালী থানার কনস্টেবল মহিব্বুল হক। তিনি বাকেরগঞ্জের জিরাইল গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে। কৃষি ব্যাংক রাঙ্গাবালীর বাহেরচর শাখার পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি পটুয়াখালীর আউলিয়াপুরের আবদুস সালাম হাওলাদারের ছেলে। এনজিও আশার রাঙ্গাবালীর খালগোড়া শাখার ঋণ অফিসার কবির হোসেন। তিনি বাউফলের কাশিপুরের লক্ষ্মীপাশা গ্রামের শাহজাহান সিকদারের ছেলে। পটুয়াখালীর ময়দান মাদ্রাসা এলাকার রহিম হাওলাদারের ছেলে হাসান ও বাউফলের জয়গোড়া এলাকার আলম হাওলাদারের ছেলে ইমরান। হাসান ও ইমরান রাঙ্গাবালীতে সড়ক নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলার কোড়ালিয়া থেকে গলাচিপার পানপট্টির উদ্দেশে যাওয়া আহম্মেদ এন্টারপ্রাইজের এ স্পিডবোট আগুনমুখা নদীর মাঝে ঢেউয়ের তোড়ে তলা ফেটে চালকসহ ১৭ যাত্রী ডুবে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার দেড়ঘণ্টা পর চালকসহ ১৩ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও পাঁচজন নিখোঁজ ছিলেন।

মেরিন কোর্টে মামলা : স্পিডবোট পরিচালনাকারী ও চালকের বিরুদ্ধে মেরিন কোর্টে মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার বিআইডব্লিউটিএ’র পটুয়াখালী নদী বন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে ঘাট ত্যাগ, রুট পারমিট অনুযায়ী চলাচল না করা, সনদধারী চালক না থাকা ও যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরিধান না করানোসহ নানা অপরাধে এ মামলা করা হয় বলে শনিবার নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডাব্লিউটিএ) পটুয়াখালী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক খাজা সাদিকুর রহমান। তিনি বলেন, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। আপাতত মামলার বিবাদীদের নাম বলা যাচ্ছে না।