বগুড়ায় শাশুড়ির মামলায় আ’লীগ নেতা স্ত্রীসহ কারাগারে
jugantor
শতকোটি টাকা আত্মসাৎ
বগুড়ায় শাশুড়ির মামলায় আ’লীগ নেতা স্ত্রীসহ কারাগারে

  বগুড়া ব্যুরো  

২৬ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় শাশুড়ির শতকোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, জেলা পরিষদ সদস্য আনোয়ার হোসেন রানা ও তার স্ত্রী আকিলা সরিফা সুলতানাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ রবিউল আউয়াল শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী রেজাউল করিম মন্টু এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আদালতের জুডিশিয়াল পেশকার আনোয়ার হোসেন ও এজাহার সূত্র জানায়, বগুড়া শহরের কাটনারপাড়ায় মরহুম সেখ সরিফ উদ্দিনের স্ত্রী দেলওয়ারা বেগম ১ অক্টোবর সদর থানায় জামাই রানা, মেয়ে সুলতানা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তিন ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম, হাফিজার রহমান ও তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ৫ অক্টোবর মামলাটি রেকর্ড করা হয়।

তদন্তের দায়িত্ব নেন সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির। ১১ অক্টোবর রানা ও তার স্ত্রী উচ্চ আদালতে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোর্টে হাজির হতে বলেন। দেলওয়ারা বেগমের অপর চার মেয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ সুপারের কাছে আনোয়ার হোসেন রানার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও হুমকি প্রদানের লিখিত অভিযোগ দেন। এছাড়া জেলা প্রশাসকের কাছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র অবৈধভাবে ব্যবহার ও সেসব দিয়ে হুমকি দেয়ার অভিযোগ করা হয়।

শতকোটি টাকা আত্মসাৎ

বগুড়ায় শাশুড়ির মামলায় আ’লীগ নেতা স্ত্রীসহ কারাগারে

 বগুড়া ব্যুরো 
২৬ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ায় শাশুড়ির শতকোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় নন্দীগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, জেলা পরিষদ সদস্য আনোয়ার হোসেন রানা ও তার স্ত্রী আকিলা সরিফা সুলতানাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ রবিউল আউয়াল শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী রেজাউল করিম মন্টু এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আদালতের জুডিশিয়াল পেশকার আনোয়ার হোসেন ও এজাহার সূত্র জানায়, বগুড়া শহরের কাটনারপাড়ায় মরহুম সেখ সরিফ উদ্দিনের স্ত্রী দেলওয়ারা বেগম ১ অক্টোবর সদর থানায় জামাই রানা, মেয়ে সুলতানা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তিন ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম, হাফিজার রহমান ও তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ৫ অক্টোবর মামলাটি রেকর্ড করা হয়।

তদন্তের দায়িত্ব নেন সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির। ১১ অক্টোবর রানা ও তার স্ত্রী উচ্চ আদালতে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কোর্টে হাজির হতে বলেন। দেলওয়ারা বেগমের অপর চার মেয়ে ২৪ সেপ্টেম্বর পুলিশ সুপারের কাছে আনোয়ার হোসেন রানার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও হুমকি প্রদানের লিখিত অভিযোগ দেন। এছাড়া জেলা প্রশাসকের কাছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র অবৈধভাবে ব্যবহার ও সেসব দিয়ে হুমকি দেয়ার অভিযোগ করা হয়।