বগুড়ায় খুনের মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
বগুড়ায় খুনের মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

  বগুড়া ব্যুরো  

২৭ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া সদরের সামগ্রাম এলাকায় মন্দির চত্বরে দুর্বৃত্তরা খুনসহ চার মামলার আসামি সুব্রত ওরফে সম্রাট ঘোষকে (২৭) কুপিয়ে হত্যা করেছে। রোববার রাতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, সম্রাট বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। সে পূর্ব বিরোধের জেরে নিজ সংগঠনের সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসী বলছে, আধিপত্য বিস্তার ও বালু ব্যবসা নিয়ে বিরোধে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সুব্রত ওরফে সম্রাট ঘোষ সাবগ্রাম পালপাড়ার মনোরঞ্জন ওরফে কালিপদ ঘোষের ছেলে। রোববার রাত ১টার দিকে সে সাবগ্রাম হাট কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরে প্রতিমা দর্শনে যায়। সেখান থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে রওনা হয়। এ সময় লুকিয়ে থাকা দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। সম্রাট মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে দৌড়ে মন্দির চত্বরে একটি টিনের ঘরে আশ্রয় নেয়। দুর্বৃত্তরা সেখান থেকে তাকে টেনে বের করে কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হলে হামলাকারীরা চলে যায়। এ সময় মন্দিরে থাকা ভক্তরা ভয়ে ছোটাছুটি করতে থাকেন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। সম্রাট পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী হাড়ি জুয়েলের ছোট ভাই। সে (সম্রাট) পরিবহন শ্রমিক নেতা মনিরুজ্জামান মানিক হত্যার প্রধান আসামি। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র আইন ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে চারটি মামলা রয়েছে।

বগুড়ায় খুনের মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

 বগুড়া ব্যুরো 
২৭ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়া সদরের সামগ্রাম এলাকায় মন্দির চত্বরে দুর্বৃত্তরা খুনসহ চার মামলার আসামি সুব্রত ওরফে সম্রাট ঘোষকে (২৭) কুপিয়ে হত্যা করেছে। রোববার রাতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, সম্রাট বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। সে পূর্ব বিরোধের জেরে নিজ সংগঠনের সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোমবার দুপুর পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসী বলছে, আধিপত্য বিস্তার ও বালু ব্যবসা নিয়ে বিরোধে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সুব্রত ওরফে সম্রাট ঘোষ সাবগ্রাম পালপাড়ার মনোরঞ্জন ওরফে কালিপদ ঘোষের ছেলে। রোববার রাত ১টার দিকে সে সাবগ্রাম হাট কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরে প্রতিমা দর্শনে যায়। সেখান থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে রওনা হয়। এ সময় লুকিয়ে থাকা দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। সম্রাট মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে দৌড়ে মন্দির চত্বরে একটি টিনের ঘরে আশ্রয় নেয়। দুর্বৃত্তরা সেখান থেকে তাকে টেনে বের করে কোপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হলে হামলাকারীরা চলে যায়। এ সময় মন্দিরে থাকা ভক্তরা ভয়ে ছোটাছুটি করতে থাকেন। খবর পেয়ে সদর থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। সম্রাট পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী হাড়ি জুয়েলের ছোট ভাই। সে (সম্রাট) পরিবহন শ্রমিক নেতা মনিরুজ্জামান মানিক হত্যার প্রধান আসামি। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র আইন ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধে চারটি মামলা রয়েছে।