বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুল কলেজ খুলে দেয়া উচিত
jugantor
বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুল কলেজ খুলে দেয়া উচিত

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০২ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া উচিত। যারা স্কুল-কলেজে যেতে চায় তাদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে। যারা প্রচলিত পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নিতে চায় তাদের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থাও করতে হবে। তিনি বলেন, কিন্তু যারা এমন পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজে যেতে চায় না তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাবে না। আবার যারা পরীক্ষায় অংশ নিতে অনিচ্ছুক তাদের জন্য অটো পাসের ব্যবস্থা থাকতে হবে। যখন হাট-বাজার, অফিস-আদালত এবং গণপরিবহনসহ সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে, তখন শুধু শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করে রাখার কোনো যুক্তি নেই। এভাবে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে। জটিলতা সৃষ্টি হবে শিক্ষা ব্যবস্থায়।

রোববার জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কার্যালয় কাকরাইল চত্বরে জাতীয় যুব সংহতি আয়োজিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রাপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মানুষের কর্মক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই একটি দেশের স্বাবলম্বিতা ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত হয়। আমাদের জনসংখ্যার বেশির ভাগ মানুষই ১৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের এই কর্মক্ষম জনশক্তিকে আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। তিনি বলেন, দেশে ৫ কোটির ওপরে বেকার। তাই বেকারত্ব দূর করতে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। প্রত্যেকের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, দেশের যুব সমাজই আমাদের প্রাণশক্তি। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে যুব সমাজ যেভাবে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে এনেছে, ঠিক তেমনি বর্তমান পরিস্থিতিতে যুব সমাজকে দায়িত্ব নিতে হবে দেশ থেকে খুন, ধর্ষণ, অবিচার ও অন্যায় দূর করতে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে যুব সমাজকে দায়িত্ব নিতে হবে। চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, দলবাজ এবং সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গঠনে জাতীয় যুব সংহতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফকরুল আহসান শাহজাদার পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, নাজমা আক্তার এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহিরুল আলম রুবেল, যুগ্ম-মহাসচিব আমির উদ্দিন আহমেদ ডালু, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল দাস, হেলাল উদ্দিন, মাহমুদা রহমান মুন্নি, এনাম জয়নাল আবেদীন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুল কলেজ খুলে দেয়া উচিত

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০২ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া উচিত। যারা স্কুল-কলেজে যেতে চায় তাদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করতে হবে। যারা প্রচলিত পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নিতে চায় তাদের জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থাও করতে হবে। তিনি বলেন, কিন্তু যারা এমন পরিস্থিতিতে স্কুল-কলেজে যেতে চায় না তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া যাবে না। আবার যারা পরীক্ষায় অংশ নিতে অনিচ্ছুক তাদের জন্য অটো পাসের ব্যবস্থা থাকতে হবে। যখন হাট-বাজার, অফিস-আদালত এবং গণপরিবহনসহ সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে, তখন শুধু শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করে রাখার কোনো যুক্তি নেই। এভাবে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে। জটিলতা সৃষ্টি হবে শিক্ষা ব্যবস্থায়।

রোববার জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কার্যালয় কাকরাইল চত্বরে জাতীয় যুব সংহতি আয়োজিত জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রাপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মানুষের কর্মক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই একটি দেশের স্বাবলম্বিতা ও স্বনির্ভরতা নিশ্চিত হয়। আমাদের জনসংখ্যার বেশির ভাগ মানুষই ১৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের এই কর্মক্ষম জনশক্তিকে আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। তিনি বলেন, দেশে ৫ কোটির ওপরে বেকার। তাই বেকারত্ব দূর করতে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। প্রত্যেকের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, দেশের যুব সমাজই আমাদের প্রাণশক্তি। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে যুব সমাজ যেভাবে স্বাধীনতার লাল সূর্য ছিনিয়ে এনেছে, ঠিক তেমনি বর্তমান পরিস্থিতিতে যুব সমাজকে দায়িত্ব নিতে হবে দেশ থেকে খুন, ধর্ষণ, অবিচার ও অন্যায় দূর করতে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে যুব সমাজকে দায়িত্ব নিতে হবে। চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, দলবাজ এবং সন্ত্রাসমুক্ত দেশ গঠনে জাতীয় যুব সংহতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয় যুব সংহতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফকরুল আহসান শাহজাদার পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, নাজমা আক্তার এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা জহিরুল আলম রুবেল, যুগ্ম-মহাসচিব আমির উদ্দিন আহমেদ ডালু, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল দাস, হেলাল উদ্দিন, মাহমুদা রহমান মুন্নি, এনাম জয়নাল আবেদীন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন