বরগুনায় ঋণের টাকা না দিতে পেরে যুবকের আত্মহত্যা
jugantor
বরগুনায় ঋণের টাকা না দিতে পেরে যুবকের আত্মহত্যা

  যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা  

০৮ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরগুনায় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বেলাল হোসেন পলাশ নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। ঋণদাতার অপমান সহ্য করতে না পেরে চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা ইউয়িনের গর্জনবুনিয়া গ্রামের শাহজাহানের ছেলে ও কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন। জানা যায়, পলাশ পাঁচ বছর আগে কাপড়ের ব্যবসায় পুঁজি বাড়াতে ৭ লাখ টাকা ঋণ নেন বরগুনার পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম সৌরভের কাছ থেকে। পাঁচ বছরে ৭ লাখ টাকার সুদ পরিশোধ করেন ১১ লাখ টাকা। এরপরও আসল টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন ঋণদাতা সৌরভ। পলাশ ঋণের টাকা সময়মতো পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় মুঠোফোনে সৌরভ অকথ্য ভাষায় তাকে গালমন্দ করেন।

পলাশ অপমান সহ্য করতে না পেরে সৌরভকে জানিয়ে দেন বুধবার টাকা পরিশোধ করবেন। কিন্তু তিনি টাকা সংগ্রহ করতে পারেননি। শনিবার ভোরে সৌরভ পলাশকে ফোন দিয়ে সকাল ১০টার মধ্যে টাকা নিয়ে তার চেম্বারে দেখা করতে বলেন। পলাশ ফোনে জানায় টাকা সংগ্রহ করতে পারেননি। এরপর সৌরভ ফোনে পলাশকে ফের গালমন্দ করেন। এমনকি পলাশকে তার বাড়ি থেকে ধরে আনার হুমকি দেন। পলাশ টাকা জোগার করতে না পেরে মনের কষ্টে, ঘৃণায় ও অপমানিত হবে এমন আশঙ্কায় শনিবার সকালে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউয়িনের নলী বাজারের বাসার পেছনে মেহগনি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এ ঘটনার পর ফোন বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছে পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম সৌরভ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পলাশের লাশ উদ্ধার করে। এ সময় তার জামার পকেট থেকে চিরকুট উদ্ধার করা হয়। এতে সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় অপমানে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে লিখে রাখেন। বরগুনা সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, এ ব্যাপারে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে। পরিবার অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বরগুনায় ঋণের টাকা না দিতে পেরে যুবকের আত্মহত্যা

 যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা 
০৮ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বরগুনায় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বেলাল হোসেন পলাশ নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। ঋণদাতার অপমান সহ্য করতে না পেরে চিরকুট লিখে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা ইউয়িনের গর্জনবুনিয়া গ্রামের শাহজাহানের ছেলে ও কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন। জানা যায়, পলাশ পাঁচ বছর আগে কাপড়ের ব্যবসায় পুঁজি বাড়াতে ৭ লাখ টাকা ঋণ নেন বরগুনার পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম সৌরভের কাছ থেকে। পাঁচ বছরে ৭ লাখ টাকার সুদ পরিশোধ করেন ১১ লাখ টাকা। এরপরও আসল টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন ঋণদাতা সৌরভ। পলাশ ঋণের টাকা সময়মতো পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় মুঠোফোনে সৌরভ অকথ্য ভাষায় তাকে গালমন্দ করেন।

পলাশ অপমান সহ্য করতে না পেরে সৌরভকে জানিয়ে দেন বুধবার টাকা পরিশোধ করবেন। কিন্তু তিনি টাকা সংগ্রহ করতে পারেননি। শনিবার ভোরে সৌরভ পলাশকে ফোন দিয়ে সকাল ১০টার মধ্যে টাকা নিয়ে তার চেম্বারে দেখা করতে বলেন। পলাশ ফোনে জানায় টাকা সংগ্রহ করতে পারেননি। এরপর সৌরভ ফোনে পলাশকে ফের গালমন্দ করেন। এমনকি পলাশকে তার বাড়ি থেকে ধরে আনার হুমকি দেন। পলাশ টাকা জোগার করতে না পেরে মনের কষ্টে, ঘৃণায় ও অপমানিত হবে এমন আশঙ্কায় শনিবার সকালে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউয়িনের নলী বাজারের বাসার পেছনে মেহগনি গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এ ঘটনার পর ফোন বন্ধ করে গা ঢাকা দিয়েছে পল্লী চিকিৎসক জহিরুল ইসলাম সৌরভ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পলাশের লাশ উদ্ধার করে। এ সময় তার জামার পকেট থেকে চিরকুট উদ্ধার করা হয়। এতে সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় অপমানে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে লিখে রাখেন। বরগুনা সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, এ ব্যাপারে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে। পরিবার অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।