রায়পুরে ধর্ষিতার বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে মানববন্ধন
jugantor
রায়পুরে ধর্ষিতার বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে মানববন্ধন

  রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি  

১৮ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্বাস্থ্য ক্লিনিকে ওষুধ আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর (৩০) বিরুদ্ধে উল্টো লোক ভাড়া করে মানববন্ধন করানোর অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্যকর্মী আবদুল মান্নান তার এলাকার ৬০-৭০ জন লোককে দিয়ে মঙ্গলবার রায়পুর থানার সামনে ও মিয়ারহাট বাজারে এ মানববন্ধন করিয়েছেন।

এদিকে, মামলা করার পর গৃহবধূ ও তার পরিবারের লোকজনের নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মী আবদুল মান্নান এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। বুধবার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে (ধর্ষণ) স্বাস্থ্যকর্মী আবদুল মান্নানকে আসামি করে থানায় মামলা করেন ওই গৃহবধূ।

অভিযুক্ত আবদুল মান্নান (৩৫) চরকাছিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী। তিনি একই এলাকার মৃত রফিক বেপারির ২য় ছেলে। বুধবার দুপুরে ওই গৃহবধূ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গেলে নির্জন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে আবদুল মান্নান।

এ ঘটনায় স্বাস্থ্যকর্মী আবদুল মান্নান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ঘটনাটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। তাই আমার পরিবার ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার বাহারুল আলম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। মেডিকেল রিপোর্ট সঠিক হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। রায়পুর থানার ওসি আবদুল জলিল বলেন, অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মী পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। মানববন্ধন তো করার কথা ধর্ষিত নারী ও তার পরিবারের।

রায়পুরে ধর্ষিতার বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে মানববন্ধন

 রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি 
১৮ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে স্বাস্থ্য ক্লিনিকে ওষুধ আনতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর (৩০) বিরুদ্ধে উল্টো লোক ভাড়া করে মানববন্ধন করানোর অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্যকর্মী আবদুল মান্নান তার এলাকার ৬০-৭০ জন লোককে দিয়ে মঙ্গলবার রায়পুর থানার সামনে ও মিয়ারহাট বাজারে এ মানববন্ধন করিয়েছেন।

এদিকে, মামলা করার পর গৃহবধূ ও তার পরিবারের লোকজনের নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মী আবদুল মান্নান এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। বুধবার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে (ধর্ষণ) স্বাস্থ্যকর্মী আবদুল মান্নানকে আসামি করে থানায় মামলা করেন ওই গৃহবধূ।

অভিযুক্ত আবদুল মান্নান (৩৫) চরকাছিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মী। তিনি একই এলাকার মৃত রফিক বেপারির ২য় ছেলে। বুধবার দুপুরে ওই গৃহবধূ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গেলে নির্জন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে আবদুল মান্নান।

এ ঘটনায় স্বাস্থ্যকর্মী আবদুল মান্নান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ঘটনাটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। তাই আমার পরিবার ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার বাহারুল আলম বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। মেডিকেল রিপোর্ট সঠিক হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। রায়পুর থানার ওসি আবদুল জলিল বলেন, অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মী পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। মানববন্ধন তো করার কথা ধর্ষিত নারী ও তার পরিবারের।