পত্নীতলায় ক্লিনিকে নার্সের ঝুলন্ত লাশ
jugantor
পত্নীতলায় ক্লিনিকে নার্সের ঝুলন্ত লাশ

  পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি  

১৯ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নওগাঁর পত্নীতলায় বুধবার এক নার্সের (২০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ইসলামিয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে তা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড না আত্মহত্যা তা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের ধারণা, ওই নার্সকে ধর্ষণের পর তা ধামাচাপা দিতে তাকে খুন করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর ইউডি মামলা করেই তাদের দায় শেষ করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকার সচেতন মানুষ। নার্সের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করতে গেলেও তা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ক্লিনিকে নার্সের লাশ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। সে সঙ্গে পত্নীতলার ক্লিনিকগুলোতে নিরাপত্তা নিয়ে তারা চরম উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন।

বুধবার বেলা ১১টায় ক্লিনিকে গিয়ে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক-নার্স ও রোগী পাওয়া যায়নি। ১০ শয্যার ক্লিনিকটির অধিকাংশ বেডই ফাঁকা ছিল। স্থানীয়রা জানান, ক্লিনিকে লাশ উদ্ধারের খবর শোনার পর কর্মকর্তা ও কর্মচারী যারা ছিল তারা সবাই পালিয়ে গেছে। ভর্তি থাকা রোগীরাও অনেকে ভয়ে ক্লিনিক ছেড়ে চলে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ক্লিনিকটি মো. নাজিম বাবুর মালিকানাধীন। সুন্দরী নার্স নিয়োগ দিয়ে তাদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

নার্সের বাবা বলেন, মঙ্গলবার বিকালে মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। বুধবার সকালে ক্লিনিকের এক স্টাফ ফোন করে মারা যাওয়ার খবর জানায়। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে, এটা আমি বিশ্বাস করি না। মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ওসি সামসুল আলম শাহ মুঠোফোনে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই নার্স আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। লাশ উদ্ধারের সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে লাগানো ছিল। দরজা লাগানো অবস্থায় ঘরের ভেতর থেকে বের হওয়ার অন্য কোনো পথ নেই। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা। নওগাঁর পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, যেহেতু ছিটকিনি লাগানো ঘরের মধ্য থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে সেহেতু অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে। তদন্ত করে দেখছি ঘটনার পেছনে কি কারণ থাকতে পারে।

পত্নীতলায় ক্লিনিকে নার্সের ঝুলন্ত লাশ

 পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি 
১৯ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নওগাঁর পত্নীতলায় বুধবার এক নার্সের (২০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উপজেলার নজিপুর পৌরসভার ইসলামিয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে তা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড না আত্মহত্যা তা নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের ধারণা, ওই নার্সকে ধর্ষণের পর তা ধামাচাপা দিতে তাকে খুন করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধারের পর ইউডি মামলা করেই তাদের দায় শেষ করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকার সচেতন মানুষ। নার্সের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করতে গেলেও তা না নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ক্লিনিকে নার্সের লাশ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী। সে সঙ্গে পত্নীতলার ক্লিনিকগুলোতে নিরাপত্তা নিয়ে তারা চরম উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন।

বুধবার বেলা ১১টায় ক্লিনিকে গিয়ে কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক-নার্স ও রোগী পাওয়া যায়নি। ১০ শয্যার ক্লিনিকটির অধিকাংশ বেডই ফাঁকা ছিল। স্থানীয়রা জানান, ক্লিনিকে লাশ উদ্ধারের খবর শোনার পর কর্মকর্তা ও কর্মচারী যারা ছিল তারা সবাই পালিয়ে গেছে। ভর্তি থাকা রোগীরাও অনেকে ভয়ে ক্লিনিক ছেড়ে চলে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ক্লিনিকটি মো. নাজিম বাবুর মালিকানাধীন। সুন্দরী নার্স নিয়োগ দিয়ে তাদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

নার্সের বাবা বলেন, মঙ্গলবার বিকালে মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। বুধবার সকালে ক্লিনিকের এক স্টাফ ফোন করে মারা যাওয়ার খবর জানায়। আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে, এটা আমি বিশ্বাস করি না। মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হতে পারে।

এ বিষয়ে পত্নীতলা থানার ওসি সামসুল আলম শাহ মুঠোফোনে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, ওই নার্স আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। লাশ উদ্ধারের সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে লাগানো ছিল। দরজা লাগানো অবস্থায় ঘরের ভেতর থেকে বের হওয়ার অন্য কোনো পথ নেই। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা। নওগাঁর পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান মিয়া বলেন, যেহেতু ছিটকিনি লাগানো ঘরের মধ্য থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে সেহেতু অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে। তদন্ত করে দেখছি ঘটনার পেছনে কি কারণ থাকতে পারে।