আমতলীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণে দুই আসামি গ্রেফতার, দায় স্বীকার
jugantor
আমতলীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণে দুই আসামি গ্রেফতার, দায় স্বীকার

  আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২১ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমতলীর পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের ঘটনার মূল হোতা দুই বšু¬ মেহেদী হাসান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার পুলিশ নরসিংদী জেলার পলাশ থানার ঘোড়াশাল পাওয়ার প্লান্টের মূল ফটকের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করে। বিকালে তাদের আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দি শেষে বিচারক মো. সাকিব হোসেন তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের বারেক মৃধার ছেলে ট্রাক হেলপার বখাটে মেহেদী হাসান আমতলী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ওই মেয়েটিকে ছয় মাস ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু বখাটের প্রেমের প্রস্তাবে রাজি হয়নি ওই স্কুলছাত্রী। ৭ নভেম্বর বিকালে ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে মেহেদী হাসান তার বন্ধু রাসেল আমতলী পৌর শহরের বাঁধঘাট চৌরাস্তায় ‘সকাল-সন্ধ্যা’ হোটেলে আসে। তারা মেয়েটিকে হোটেলের সামনে সোলায়মানের বাসায় নিয়ে যায়। সোলায়মান তাদের সহযোগিতার উদ্দেশে বাসার বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে যায়। ওই বাসায় মেয়েটিকে ধর্ষণ করে দু’জন।

স্কুলছাত্রী জানায়, অনেক কান্নাকাটি করেও দুই বখাটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি ছাত্রীটি। দুই বখাটে ধর্ষণের ছবি মোবাইলে ধারণ করে। ওই ছবি দিয়ে ব্লাকমেইল করে তারা আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটির অভিভাবকরা এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ১০ নভেম্বর মেহেদী হাসানকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে দুই আসামিকে নরসিংদী জেলার পলাশ থানার ঘোড়াশাল পাওয়ার প্লান্টের মূল ফটকের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আমতলীতে স্কুলছাত্রী ধর্ষণে দুই আসামি গ্রেফতার, দায় স্বীকার

 আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২১ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে আমতলীর পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের ঘটনার মূল হোতা দুই বšু¬ মেহেদী হাসান ও রাসেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. হেলাল উদ্দিনের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার পুলিশ নরসিংদী জেলার পলাশ থানার ঘোড়াশাল পাওয়ার প্লান্টের মূল ফটকের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করে। বিকালে তাদের আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দি শেষে বিচারক মো. সাকিব হোসেন তাদের জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা গেছে, উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের বারেক মৃধার ছেলে ট্রাক হেলপার বখাটে মেহেদী হাসান আমতলী পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ওই মেয়েটিকে ছয় মাস ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু বখাটের প্রেমের প্রস্তাবে রাজি হয়নি ওই স্কুলছাত্রী। ৭ নভেম্বর বিকালে ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে মেহেদী হাসান তার বন্ধু রাসেল আমতলী পৌর শহরের বাঁধঘাট চৌরাস্তায় ‘সকাল-সন্ধ্যা’ হোটেলে আসে। তারা মেয়েটিকে হোটেলের সামনে সোলায়মানের বাসায় নিয়ে যায়। সোলায়মান তাদের সহযোগিতার উদ্দেশে বাসার বাইরে থেকে তালা দিয়ে চলে যায়। ওই বাসায় মেয়েটিকে ধর্ষণ করে দু’জন।

স্কুলছাত্রী জানায়, অনেক কান্নাকাটি করেও দুই বখাটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি ছাত্রীটি। দুই বখাটে ধর্ষণের ছবি মোবাইলে ধারণ করে। ওই ছবি দিয়ে ব্লাকমেইল করে তারা আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটির অভিভাবকরা এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ১০ নভেম্বর মেহেদী হাসানকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নামে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে দুই আসামিকে নরসিংদী জেলার পলাশ থানার ঘোড়াশাল পাওয়ার প্লান্টের মূল ফটকের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।