এবার বাউনিয়াবাদ বস্তিতে আগুন
jugantor
এবার বাউনিয়াবাদ বস্তিতে আগুন
পুড়ল ৪৩ ঘর, ১২ দোকান

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৬ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তি ও মোহাম্মদপুরে জহুরি মহল্লার পর এবার আগুন লাগল মিরপুরের কালশী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাউনিয়াবাদ বস্তিতে। মঙ্গলবার গভীর রাতের এ ঘটনায় ৪৩টি ঘর ও ১২টি দোকান পুড়ে যায়। নিঃস্ব হয় নিু আয়ের কয়েকশ’ মানুষ।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মকর্তা রাসেল শিকদার যুগান্তরকে বলেন, রাত ২টা ১০ মিনিটে আগুনের সূচনা হয়। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিটের এক ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ৩টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। নির্বাপণ হয় ভোর ৬টা ২৮ মিনিটে। ততক্ষণে ৪৩টি বসতঘর ও ১২টি দোকান পুড়ে যায়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয়রা জানান, বাউনিয়াবাদের ওই বস্তির বেশিরভাগ ঘরই বাঁশ, কাঠ ও টিনের তৈরি। এসব ঘরে মূলত রিকশাচালক, অটোচালক ও দিনমজুরেরা কম টাকায় ভাড়া থাকেন। ওই বস্তিতে দুশ’র মতো ঘর ও কাছাকাছি দোকান রয়েছে। ঘর তৈরির উপাদানের কারণেই আগুন লাগার পর দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বাউনিয়াবাদের সি ব্লকের বস্তি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে মিরপুর, তেজগাঁও, কুর্মিটোলা ও টঙ্গী থেকে ১২টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। বৈদ্যুতিক গোলযোগ, গ্যাস সংযোগ বা সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বরে এ বস্তিতে আগুন লেগেছিল। সেদিন রাত ১২টা ৫০ মিনিটে আগন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ১টা ৫০ মিনিটে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই আগুনে বস্তির শতাধিক ঘর ভস্মীভূত হয়েছিল। তখন বস্তির পাশে একটি ভাঙারির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। বস্তির বাসিন্দাদের তখন অভিযোগ ছিল, ষড়যন্ত্র করে তাদের বস্তিতে আগুন দেয়া হয়েছে।

মহাখালীর সাততলা বস্তিতে সোমবার রাত পৌনে ১২টায় আগুন লাগে। সেখানে পুড়ে গেছে ২০০ ঘর ও ৩৫টির বেশি দোকান। এর আগে ২০১৬ সালে সাততলা বস্তিতে আগুন লেগে শতাধিক বাড়িঘর পুড়ে যায়। মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে মোহাম্মদপুর বাবর রোডের বিহারিপট্টির জহুরি মহল্লায় আগুন লাগে। পুড়ে যায় ৪০টি টিনের ঘর।

এবার বাউনিয়াবাদ বস্তিতে আগুন

পুড়ল ৪৩ ঘর, ১২ দোকান
 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৬ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তি ও মোহাম্মদপুরে জহুরি মহল্লার পর এবার আগুন লাগল মিরপুরের কালশী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বাউনিয়াবাদ বস্তিতে। মঙ্গলবার গভীর রাতের এ ঘটনায় ৪৩টি ঘর ও ১২টি দোকান পুড়ে যায়। নিঃস্ব হয় নিু আয়ের কয়েকশ’ মানুষ।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মকর্তা রাসেল শিকদার যুগান্তরকে বলেন, রাত ২টা ১০ মিনিটে আগুনের সূচনা হয়। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিটের এক ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ৩টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। নির্বাপণ হয় ভোর ৬টা ২৮ মিনিটে। ততক্ষণে ৪৩টি বসতঘর ও ১২টি দোকান পুড়ে যায়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয়রা জানান, বাউনিয়াবাদের ওই বস্তির বেশিরভাগ ঘরই বাঁশ, কাঠ ও টিনের তৈরি। এসব ঘরে মূলত রিকশাচালক, অটোচালক ও দিনমজুরেরা কম টাকায় ভাড়া থাকেন। ওই বস্তিতে দুশ’র মতো ঘর ও কাছাকাছি দোকান রয়েছে। ঘর তৈরির উপাদানের কারণেই আগুন লাগার পর দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বাউনিয়াবাদের সি ব্লকের বস্তি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে মিরপুর, তেজগাঁও, কুর্মিটোলা ও টঙ্গী থেকে ১২টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। বৈদ্যুতিক গোলযোগ, গ্যাস সংযোগ বা সিগারেটের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

গত বছরের ২৬ ডিসেম্বরে এ বস্তিতে আগুন লেগেছিল। সেদিন রাত ১২টা ৫০ মিনিটে আগন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত ১টা ৫০ মিনিটে তা নিয়ন্ত্রণে আনে। ওই আগুনে বস্তির শতাধিক ঘর ভস্মীভূত হয়েছিল। তখন বস্তির পাশে একটি ভাঙারির দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। বস্তির বাসিন্দাদের তখন অভিযোগ ছিল, ষড়যন্ত্র করে তাদের বস্তিতে আগুন দেয়া হয়েছে।

মহাখালীর সাততলা বস্তিতে সোমবার রাত পৌনে ১২টায় আগুন লাগে। সেখানে পুড়ে গেছে ২০০ ঘর ও ৩৫টির বেশি দোকান। এর আগে ২০১৬ সালে সাততলা বস্তিতে আগুন লেগে শতাধিক বাড়িঘর পুড়ে যায়। মঙ্গলবার বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে মোহাম্মদপুর বাবর রোডের বিহারিপট্টির জহুরি মহল্লায় আগুন লাগে। পুড়ে যায় ৪০টি টিনের ঘর।