হাতাহাতি চেয়ার ছোড়াছুড়ি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে
jugantor
কোটালীপাড়ায় কৃষক লীগের সম্মেলন
হাতাহাতি চেয়ার ছোড়াছুড়ি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে

  কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৮ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় কৃষক লীগের সম্মেলনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জরুরি সভা ডেকে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস। শুক্রবার উপজেলার হিরণ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বিকাল ৪টায় হিরণ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সম্মেলন শুরু হয়। পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন তার বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিয়ে সম্মেলন দেয়ার দাবি জানান। তার এ বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম রিমো। এ সময় দু’নেতার সমর্থকরা হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়ি করে। উপস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে উভয় গ্রুপ শান্ত হয়।

এ ঘটনার পর সম্মেলন সংক্ষিপ্ত করে ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস হিরণ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি হিসেবে ইউনুচ শেখ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রফিকুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন। হিরণ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি সামচুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবির, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া দাড়িয়া, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান হাজরা, জেলা পরিষদ সদস্য মাজাহারুল আলম পান্না প্রমুখ।

চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন বলেন, আমি কোটালীপাড়া উপজেলা যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে সম্মেলন দেয়ার দাবি জানিয়েছিলাম। আমার বক্তব্যের মাঝখানে মাইনুল ইসলাম রিমো বেআইনিভাবে বাধা প্রদান করেছে। আমি তার বহিষ্কার দাবি করছি।

মাইনুল ইসলাম রিমো বলেন, বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি নেই। উপজেলা কমিটি ভাঙার ক্ষমতা একমাত্র জেলা কমিটিই রাখে। চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন অ-সাংগঠনিকভাবে বক্তব্য দেয়ায় আমি প্রতিবাদ করেছি।

কোটালীপাড়ায় কৃষক লীগের সম্মেলন

হাতাহাতি চেয়ার ছোড়াছুড়ি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে

 কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৮ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় কৃষক লীগের সম্মেলনে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জরুরি সভা ডেকে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস। শুক্রবার উপজেলার হিরণ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বিকাল ৪টায় হিরণ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সম্মেলন শুরু হয়। পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন তার বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের কাছে উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিয়ে সম্মেলন দেয়ার দাবি জানান। তার এ বক্তব্যের প্রতিবাদ করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম রিমো। এ সময় দু’নেতার সমর্থকরা হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়ি করে। উপস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে উভয় গ্রুপ শান্ত হয়।

এ ঘটনার পর সম্মেলন সংক্ষিপ্ত করে ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস হিরণ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি হিসেবে ইউনুচ শেখ ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রফিকুল ইসলামের নাম ঘোষণা করেন। হিরণ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাবেক সভাপতি সামচুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বিশ্বাস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবির, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া দাড়িয়া, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান হাজরা, জেলা পরিষদ সদস্য মাজাহারুল আলম পান্না প্রমুখ।

চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন বলেন, আমি কোটালীপাড়া উপজেলা যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে সম্মেলন দেয়ার দাবি জানিয়েছিলাম। আমার বক্তব্যের মাঝখানে মাইনুল ইসলাম রিমো বেআইনিভাবে বাধা প্রদান করেছে। আমি তার বহিষ্কার দাবি করছি।

মাইনুল ইসলাম রিমো বলেন, বর্তমানে গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি নেই। উপজেলা কমিটি ভাঙার ক্ষমতা একমাত্র জেলা কমিটিই রাখে। চৌধুরী সেলিম আহম্মেদ ছোটন অ-সাংগঠনিকভাবে বক্তব্য দেয়ায় আমি প্রতিবাদ করেছি।