সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে ভোজ্যতেল চালসহ আট পণ্যের দাম
jugantor
টিসিবির মূল্য তালিকার তথ্য
সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে ভোজ্যতেল চালসহ আট পণ্যের দাম

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৮ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর খুচরা বাজারে সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে আট নিত্যপণ্যের দাম। এগুলো হচ্ছে- ভোজ্যতেল, চাল, আলু, খোলা আটা, চিনি, লবঙ্গ, এলাচ ও খোলা ময়দা। এ পণ্যগুলোর মধ্যে ভোজ্যতেলের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার মূল্যতালিকা পর্যালোচনা করে শুক্রবার এ তথ্য পাওয়া গেছে।

টিসিবির তালিকায় দেখা যায়, সপ্তাহ ব্যবধানে ভোজ্যতেলের মধ্যে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ, বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিনে ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ, পাম অয়েল লুজ প্রতি লিটারে ৮ দশমিক ২৮ শতাংশ ও পাম অয়েল সুপার প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। মাঝারি আকারের প্রতি কেজি পাইজাম চালের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। প্রতি কেজি লবঙ্গ দাম বেড়েছে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ, আলু কেজিতে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ, খোলা আটা কেজিতে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ, চিনি কেজিতে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ ও খোলা ময়দার দাম বেড়েছে কেজিতে ৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এদিকে শুক্রবারের মূল্য তালিকায় বলা হয়েছে, প্রতি কেজি পাইজাম চাল বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, ৭ দিন আগে ছিল ৪৫ টাকা। খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ১০৪ টাকা, ৭ দিন আগে ছিল ১০০ টাকা। বোতলজাত সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ১১০-১২০ টাকা, আগে ছিল ১০৫-১১৫ টাকা। পাম অয়েল লুজ প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ৯১ টাকা, আগে ছিল ৭৮ টাকা। পাম অয়েল সুপার প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ৯৪ টাকা, আগে ছিল ৮৫ টাকা। প্রতি কেজি লবঙ্গ বিক্রি হয়েছে ৮০০ টাকা, আগে ছিল ৬০০ টাকা। আলু বিক্রি হয়েছে ৪৪-৫০ টাকা, আগে ছিল ৪০-৫০ টাকা। খোলা আটা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩২ টাকা, আগে ছিল ৩০ টাকা। চিনির কেজি বিক্রি হয়েছে ৬২-৬৫ টাকা, আগে ছিল ৬০-৬৫ টাকা। খোলা ময়দা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫ টাকা, আগে ছিল ৩২ টাকা। ছোট এলাচ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪০০ টাকা, ৭ দিন আগে ছিল ২ হাজার ৩০০ টাকা।

মূল্য তালিকার তথ্য অনুযায়ী, দেশি রসুন বিক্রি হয়েছে ১০০-১১০ টাকা। আমদানি করা রসুন বিক্রি হয়েছে ৮০-৯০ টাকা। প্রতি কেজি আদা ৯০ টাকা, জিরা ৪০০ টাকা, দারুচিনি ৪৮০ টাকা ও প্রতি কেজি তেজপাতা বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা। পাশাপাশি মসুর ডাল বড় দানা বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি, ছোট দানার মসুর ডাল ১১০ টাকা ও মাঝারি দানা মসুর ডাল প্রতি কেজি ৯০ টাকা। শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৫৫০-৫৯০ টাকা। প্রতি কেজি খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা ও দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৪০০-৪৫০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি রুই মাছের দাম সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকা।

রাজধানীর কাঁচাবাজার ঘুরে শুক্রবার দেখা গেছে, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হয়েছে ৩০-৫০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৭০-৯০ টাকা, বেগুন ৪০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০-৬০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ২০-৪০ টাকা, পাকা টমেটো ৮০-১০০ টাকা ও প্রতি কেজি শালগম বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

টিসিবির মূল্য তালিকার তথ্য

সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে ভোজ্যতেল চালসহ আট পণ্যের দাম

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৮ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর খুচরা বাজারে সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে আট নিত্যপণ্যের দাম। এগুলো হচ্ছে- ভোজ্যতেল, চাল, আলু, খোলা আটা, চিনি, লবঙ্গ, এলাচ ও খোলা ময়দা। এ পণ্যগুলোর মধ্যে ভোজ্যতেলের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার মূল্যতালিকা পর্যালোচনা করে শুক্রবার এ তথ্য পাওয়া গেছে।

টিসিবির তালিকায় দেখা যায়, সপ্তাহ ব্যবধানে ভোজ্যতেলের মধ্যে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ, বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিনে ৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ, পাম অয়েল লুজ প্রতি লিটারে ৮ দশমিক ২৮ শতাংশ ও পাম অয়েল সুপার প্রতি লিটারে দাম বেড়েছে ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ। মাঝারি আকারের প্রতি কেজি পাইজাম চালের দাম বেড়েছে ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ। প্রতি কেজি লবঙ্গ দাম বেড়েছে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ, আলু কেজিতে ৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ, খোলা আটা কেজিতে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ, চিনি কেজিতে ১ দশমিক ৬০ শতাংশ ও খোলা ময়দার দাম বেড়েছে কেজিতে ৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এদিকে শুক্রবারের মূল্য তালিকায় বলা হয়েছে, প্রতি কেজি পাইজাম চাল বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা, ৭ দিন আগে ছিল ৪৫ টাকা। খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ১০৪ টাকা, ৭ দিন আগে ছিল ১০০ টাকা। বোতলজাত সয়াবিন প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ১১০-১২০ টাকা, আগে ছিল ১০৫-১১৫ টাকা। পাম অয়েল লুজ প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ৯১ টাকা, আগে ছিল ৭৮ টাকা। পাম অয়েল সুপার প্রতি লিটার বিক্রি হয়েছে ৯৪ টাকা, আগে ছিল ৮৫ টাকা। প্রতি কেজি লবঙ্গ বিক্রি হয়েছে ৮০০ টাকা, আগে ছিল ৬০০ টাকা। আলু বিক্রি হয়েছে ৪৪-৫০ টাকা, আগে ছিল ৪০-৫০ টাকা। খোলা আটা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩২ টাকা, আগে ছিল ৩০ টাকা। চিনির কেজি বিক্রি হয়েছে ৬২-৬৫ টাকা, আগে ছিল ৬০-৬৫ টাকা। খোলা ময়দা প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫ টাকা, আগে ছিল ৩২ টাকা। ছোট এলাচ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৪০০ টাকা, ৭ দিন আগে ছিল ২ হাজার ৩০০ টাকা।

মূল্য তালিকার তথ্য অনুযায়ী, দেশি রসুন বিক্রি হয়েছে ১০০-১১০ টাকা। আমদানি করা রসুন বিক্রি হয়েছে ৮০-৯০ টাকা। প্রতি কেজি আদা ৯০ টাকা, জিরা ৪০০ টাকা, দারুচিনি ৪৮০ টাকা ও প্রতি কেজি তেজপাতা বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা। পাশাপাশি মসুর ডাল বড় দানা বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি, ছোট দানার মসুর ডাল ১১০ টাকা ও মাঝারি দানা মসুর ডাল প্রতি কেজি ৯০ টাকা। শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৫৫০-৫৯০ টাকা। প্রতি কেজি খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি সর্বোচ্চ ১২৫ টাকা ও দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৪০০-৪৫০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি রুই মাছের দাম সর্বোচ্চ ৩৫০ টাকা।

রাজধানীর কাঁচাবাজার ঘুরে শুক্রবার দেখা গেছে, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হয়েছে ৩০-৫০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৭০-৯০ টাকা, বেগুন ৪০-৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০-৬০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ২০-৪০ টাকা, পাকা টমেটো ৮০-১০০ টাকা ও প্রতি কেজি শালগম বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।