মেয়র হানিফের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
jugantor
মেয়র হানিফের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৮ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার পর অসুস্থ অবস্থায় ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন।

দিনটি উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন, মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, মেয়র মোহাম্মদ হানিফ স্মৃতি সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সকালে আজিমপুর কবরস্থানে কবর জিয়ারত, আজিমপুরস্থ মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং আলোচনা সভা।

১৯৪৪ সালের ১ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ হানিফ। ছাত্রাবস্থায় ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৬৫ সালে বঙ্গবন্ধুর একান্ত সচিবের দায়িত্ব পান। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধে তার ছিল বলিষ্ঠ ভূমিকা। তিনি ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেয়া ঢাকা-১২ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

মেয়র হানিফের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৮ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হওয়ার পর অসুস্থ অবস্থায় ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন।

দিনটি উপলক্ষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন, মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, মেয়র মোহাম্মদ হানিফ স্মৃতি সংসদসহ বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সকালে আজিমপুর কবরস্থানে কবর জিয়ারত, আজিমপুরস্থ মেয়র মোহাম্মদ হানিফ জামে মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং আলোচনা সভা।

১৯৪৪ সালের ১ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন মোহাম্মদ হানিফ। ছাত্রাবস্থায় ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাজনীতি শুরু করেন। জীবনের শেষদিন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৬৫ সালে বঙ্গবন্ধুর একান্ত সচিবের দায়িত্ব পান। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধে তার ছিল বলিষ্ঠ ভূমিকা। তিনি ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর ছেড়ে দেয়া ঢাকা-১২ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালে তিনি ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।