অধিগ্রহণ করা জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ
jugantor
অধিগ্রহণ করা জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

  রাজশাহী ব্যুরো  

৩০ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীতে সরকারের অধিগ্রহণ করা জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আনোয়ারুল করিম মুন্না নামের এক ব্যক্তি রোববার সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছেন। মুন্নার বাড়ি নগরীর মালোপাড়ায়। একই এলাকার বাসিন্দা শামসুন নাহারের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন।

মুন্না জানান, তার বাবা ফজলুল করিমের কাছ থেকে ১৯৫১ সালের দিকে পাকিস্তান সরকার এ জমিটি অধিগ্রহণ করে। তবে যেজন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, তা হয়নি। তাই এখন তিনি জমি ফেরত নেয়ার চেষ্টা করছেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ভারত থেকে আসা ‘শরণার্থীদের’ পুনর্বাসনের জন্য জমিটি অধিগ্রহণ করা হয়। কিন্তু ২০০ শরণার্থীর বদলে মাত্র ছয়জনকে পুনর্বাসন করা হয়। এদের মধ্যে শামসুন নাহারের স্বামী ইয়াদ উদ্দিন আহম্মেদ ভারত থেকে না এলেও শরণার্থী হিসেবে ওই জমি পান। ইয়াদ উদ্দিন শর্ত লঙ্ঘন করে ২০০২ সালে সেই জমি স্ত্রীর নামে দলিল করে দেন। স্বামীর মৃত্যুর পর এখন শামসুন নাহার সেখানে ডেভেলপারের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ করছেন।

আনোয়ারুল করিম মুন্না জানান, তার বাবা ফজলুল করিম ১৯৮১ সালে জমিটি ফেরত নেয়ার জন্য হাইকোর্টে রিট করেন। মামলাটি এখন সুপ্রিমকোর্টে আছে। এ ভবন নির্মাণ বন্ধ করে ওয়ারিশদের জমি ফেরত দেয়ার দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মুন্নার আইনজীবী খুরশীদ আলম বাবু জানান, এক্ষেত্রে অধিগ্রহণের ওই জমি অন্য কেউ কোনোভাবেই ব্যবহার করতে পারবে না। বিক্রি, লিজ বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তরও করা যাবে না। জমি তার মালিককে ফেরত দেয়ার নিয়ম রয়েছে। ফজলুল করিমের জমি ফেরত দেয়ার জন্য রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর একটি মতামতও দিয়েছেন।

অধিগ্রহণ করা জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

 রাজশাহী ব্যুরো 
৩০ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীতে সরকারের অধিগ্রহণ করা জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আনোয়ারুল করিম মুন্না নামের এক ব্যক্তি রোববার সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেছেন। মুন্নার বাড়ি নগরীর মালোপাড়ায়। একই এলাকার বাসিন্দা শামসুন নাহারের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন।

মুন্না জানান, তার বাবা ফজলুল করিমের কাছ থেকে ১৯৫১ সালের দিকে পাকিস্তান সরকার এ জমিটি অধিগ্রহণ করে। তবে যেজন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, তা হয়নি। তাই এখন তিনি জমি ফেরত নেয়ার চেষ্টা করছেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ভারত থেকে আসা ‘শরণার্থীদের’ পুনর্বাসনের জন্য জমিটি অধিগ্রহণ করা হয়। কিন্তু ২০০ শরণার্থীর বদলে মাত্র ছয়জনকে পুনর্বাসন করা হয়। এদের মধ্যে শামসুন নাহারের স্বামী ইয়াদ উদ্দিন আহম্মেদ ভারত থেকে না এলেও শরণার্থী হিসেবে ওই জমি পান। ইয়াদ উদ্দিন শর্ত লঙ্ঘন করে ২০০২ সালে সেই জমি স্ত্রীর নামে দলিল করে দেন। স্বামীর মৃত্যুর পর এখন শামসুন নাহার সেখানে ডেভেলপারের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ করছেন।

আনোয়ারুল করিম মুন্না জানান, তার বাবা ফজলুল করিম ১৯৮১ সালে জমিটি ফেরত নেয়ার জন্য হাইকোর্টে রিট করেন। মামলাটি এখন সুপ্রিমকোর্টে আছে। এ ভবন নির্মাণ বন্ধ করে ওয়ারিশদের জমি ফেরত দেয়ার দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে মুন্নার আইনজীবী খুরশীদ আলম বাবু জানান, এক্ষেত্রে অধিগ্রহণের ওই জমি অন্য কেউ কোনোভাবেই ব্যবহার করতে পারবে না। বিক্রি, লিজ বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তরও করা যাবে না। জমি তার মালিককে ফেরত দেয়ার নিয়ম রয়েছে। ফজলুল করিমের জমি ফেরত দেয়ার জন্য রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর একটি মতামতও দিয়েছেন।