ভারসাম্যহীন যুবকের এলোপাতাড়ি কোপে নারীর কব্জি বিচ্ছিন্ন
jugantor
ফটিকছড়িতে আহত ৬
ভারসাম্যহীন যুবকের এলোপাতাড়ি কোপে নারীর কব্জি বিচ্ছিন্ন

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের কোপে এক নারীর হাতের কব্জি বিচ্ছিন্নসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। যুবকের নাম রতন সাহা (২৫)। বুধবার সকালে উপজেলার ভূজপুর থানাধীন সুয়াবিল ইউনিয়নের সাহাপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠায়। পরে আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতরা হলেন নীলা নাথ (৬৫), শিবু রানী দাশ (৬৫), নারায়ণ চন্দ্র নাথ (৬৫), রহিমা বেগম (৪০), শিল্পী রানী দেবী (৩৫), গীতা রানী দেবী (৭০)। আহতদের মধ্যে নীলা নাথ ছাড়া বাকি পাঁচজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া নীলা নাথের ডান হাতের কব্জি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গুরতর আহত নীলা নাথ মৃত প্রবতী নাথের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, ওই গ্রামের ভোলা সাহার ছেলে রতন সাহা মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাতে কিরিচ নিয়ে এদিক-সেদিক দৌড়াতে থাকে। এ সময় সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে নীলা নাথের ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়। অন্যদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের দাগ রয়েছে। আহতদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে ধরে ফেলেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় ৬ জনকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদেরকে ২৬ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

ভূজপুর থানার ওসি শেখ আবদুল্লাহ বলেন, রতন সাহা নামের এক মানসিক রোগী তার পরিবারের ও আশপাশের লোকজনকে এলোপাতাড়ি কোপালে অনেকেই গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় রতন সাহাও আহত হয়। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ফটিকছড়িতে আহত ৬

ভারসাম্যহীন যুবকের এলোপাতাড়ি কোপে নারীর কব্জি বিচ্ছিন্ন

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের কোপে এক নারীর হাতের কব্জি বিচ্ছিন্নসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। যুবকের নাম রতন সাহা (২৫)। বুধবার সকালে উপজেলার ভূজপুর থানাধীন সুয়াবিল ইউনিয়নের সাহাপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে নাজিরহাটস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠায়। পরে আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতরা হলেন নীলা নাথ (৬৫), শিবু রানী দাশ (৬৫), নারায়ণ চন্দ্র নাথ (৬৫), রহিমা বেগম (৪০), শিল্পী রানী দেবী (৩৫), গীতা রানী দেবী (৭০)। আহতদের মধ্যে নীলা নাথ ছাড়া বাকি পাঁচজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া নীলা নাথের ডান হাতের কব্জি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গুরতর আহত নীলা নাথ মৃত প্রবতী নাথের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, ওই গ্রামের ভোলা সাহার ছেলে রতন সাহা মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাতে কিরিচ নিয়ে এদিক-সেদিক দৌড়াতে থাকে। এ সময় সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে নীলা নাথের ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়। অন্যদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের দাগ রয়েছে। আহতদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে ধরে ফেলেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় ৬ জনকে হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাদেরকে ২৬ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

ভূজপুর থানার ওসি শেখ আবদুল্লাহ বলেন, রতন সাহা নামের এক মানসিক রোগী তার পরিবারের ও আশপাশের লোকজনকে এলোপাতাড়ি কোপালে অনেকেই গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় রতন সাহাও আহত হয়। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।