হাসপাতালে রোগী রেখে চিকিৎসকরা পিকনিকে
jugantor
হাসপাতালে রোগী রেখে চিকিৎসকরা পিকনিকে

  মেহেরপুর প্রতিনিধি  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেহেরপুরে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা যশোরে প্রীতিভোজ ও মিলন মেলার নামে পিকনিকে গেছেন। ফলে বুধবার হাসপাতালে গিয়ে রোগীরা চিকিৎসক না নিয়ে ফিরে এসেছেন। জরুরি বিভাগে দু’জন চিকিৎসক ছাড়া আর কোনো চিকিৎসক হাসপাতালে ছিলেন না। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা দীর্ঘসময় অপেক্ষা করে ফিরে যান।

সরেজমিন হাসপাতালে দেখা যায়, দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা সকাল থেকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। রোগীর লোকজন হাসপাতালের স্টাফদের কাছে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের অবস্থান জানতে চাইলে জানান ‘স্যার অসুস্থ। আসতে কিছুটা দেরি হবে’। দীর্ঘসময়ে চিকিৎসাসেবা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান রোগীরা।

চিকিৎসা নিতে আসা মেহেরপুর সদর উপজেলার মদনাডাঙ্গা গ্রামের শেফালী বেগম বলেন, আমি সকাল থেকে টিকিট কেটে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষায় আছি। দুপুর গড়িয়ে গেলেও ডাক্তারের দেখা পাইনি। তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।

এদিকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, মাত্র চার চিকিৎসক স্বাস্থ্যবিধি মেনে পিকনিকে গেছেন। তবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক আছেন। অন্য বিভাগের চিকিৎসকরা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন না।

হাসপাতালে রোগী রেখে চিকিৎসকরা পিকনিকে

 মেহেরপুর প্রতিনিধি 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেহেরপুরে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা যশোরে প্রীতিভোজ ও মিলন মেলার নামে পিকনিকে গেছেন। ফলে বুধবার হাসপাতালে গিয়ে রোগীরা চিকিৎসক না নিয়ে ফিরে এসেছেন। জরুরি বিভাগে দু’জন চিকিৎসক ছাড়া আর কোনো চিকিৎসক হাসপাতালে ছিলেন না। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা দীর্ঘসময় অপেক্ষা করে ফিরে যান।

সরেজমিন হাসপাতালে দেখা যায়, দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা সকাল থেকে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। রোগীর লোকজন হাসপাতালের স্টাফদের কাছে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের অবস্থান জানতে চাইলে জানান ‘স্যার অসুস্থ। আসতে কিছুটা দেরি হবে’। দীর্ঘসময়ে চিকিৎসাসেবা না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যান রোগীরা।

চিকিৎসা নিতে আসা মেহেরপুর সদর উপজেলার মদনাডাঙ্গা গ্রামের শেফালী বেগম বলেন, আমি সকাল থেকে টিকিট কেটে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষায় আছি। দুপুর গড়িয়ে গেলেও ডাক্তারের দেখা পাইনি। তাই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি।

এদিকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, মাত্র চার চিকিৎসক স্বাস্থ্যবিধি মেনে পিকনিকে গেছেন। তবে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক আছেন। অন্য বিভাগের চিকিৎসকরা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন না।