আগাম জামিন সেই কলেজ অধ্যাপকের
jugantor
মানব পাচার মামলা
আগাম জামিন সেই কলেজ অধ্যাপকের

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন ঢাকার শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের সহযোগী অধ্যাপক বদরুল ইসলাম। বুধবার হাজির হয়ে আবেদন করলে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারোয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে ৬ সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেন। ৬ সপ্তাহ পর তাকে নিু আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলেছেন আদালত। আদালতে বদরুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন হামিদা চৌধুরী লিলি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে ২০ আগস্ট মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনে মামলা হয়। এতে প্রধান আসামি করা হয় অধ্যাপক বদরুল ইসলামকে। বদরুল ইসলাম এই কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচিত সদস্য। মামলার বাদী কুলছুমা আকতার নামে এক নারী। কিন্তু তাকে খুঁেজ পাওয়া যাচ্ছে না। মামলার নথিতে জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা বাদীর মোবাইল ফোন নম্বর নেই। মামলাটিতে পাঁচজন নামীয় আসামি আছেন। তাদের মধ্যে প্রধান আসামি ছাড়া বাকিদেরও কোনো সন্ধান মিলছে না। এছাড়া মামলায় দেয়া ঠিকানা তথ্যমতেও বাদীকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে যুগান্তরে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ পায়।

মানব পাচার মামলা

আগাম জামিন সেই কলেজ অধ্যাপকের

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন ঢাকার শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের সহযোগী অধ্যাপক বদরুল ইসলাম। বুধবার হাজির হয়ে আবেদন করলে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারোয়ার কাজলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে ৬ সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করেন। ৬ সপ্তাহ পর তাকে নিু আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলেছেন আদালত। আদালতে বদরুল ইসলামের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন হামিদা চৌধুরী লিলি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলার মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে ২০ আগস্ট মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনে মামলা হয়। এতে প্রধান আসামি করা হয় অধ্যাপক বদরুল ইসলামকে। বদরুল ইসলাম এই কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচিত সদস্য। মামলার বাদী কুলছুমা আকতার নামে এক নারী। কিন্তু তাকে খুঁেজ পাওয়া যাচ্ছে না। মামলার নথিতে জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা বাদীর মোবাইল ফোন নম্বর নেই। মামলাটিতে পাঁচজন নামীয় আসামি আছেন। তাদের মধ্যে প্রধান আসামি ছাড়া বাকিদেরও কোনো সন্ধান মিলছে না। এছাড়া মামলায় দেয়া ঠিকানা তথ্যমতেও বাদীকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে যুগান্তরে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ পায়।