ধুনটে ধর্ষণ মামলার আসামির পক্ষ নেয়ায় দারোগা ক্লোজড
jugantor
ধুনটে ধর্ষণ মামলার আসামির পক্ষ নেয়ায় দারোগা ক্লোজড

  বগুড়া ব্যুরো  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে ধর্ষণ মামলার বাদীকে অসহযোগিতা ও আসামির পক্ষ নেয়ার অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আহসানুল হককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশে বুধবার তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, ধুনট উপজেলার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী ১৬ জুলাই সকালে নানাবাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। বখাটে মাসুদ রানা (৩৫) তাকে রাস্তা থেকে অপহরণ করে। ছাত্রীর মা ১২ আগস্ট ধুনট থানায় মাসুদ রানা, ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবু, আবদুল হাই, আবদুল মান্নান, রুবেল হোসেন, সাথী খাতুন ও রুবিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। স্বজনরা ২৫ সেপ্টেম্বর ভিকটিমকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা থেকে উদ্ধার করে। পরে ধুনট থানা পুলিশ তার ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করায়। ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া যায়। মামলার বাদী অভিযোগ করেন, মামলার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আহসানুল হক আসামিদের কাউকে গ্রেফতার করেনি।

তিনি তাকে (বাদী) ইউপি সদস্য ফজলুল হকের নাম গোপন করতে নির্দেশ দেন। অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও মামলা তুলে নিতে তার কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নেয়া হয়। বিষয়টি বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা জানতে পেরে এসআই আহসানুল হককে প্রত্যহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযুক্ত এসআই ওই মামলার বাদীর অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করে বলেন, বাদী টাকা নিয়ে মীমাংসা করে এখন পুলিশকে বদনাম দিচ্ছেন।

ধুনটে ধর্ষণ মামলার আসামির পক্ষ নেয়ায় দারোগা ক্লোজড

 বগুড়া ব্যুরো 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে ধর্ষণ মামলার বাদীকে অসহযোগিতা ও আসামির পক্ষ নেয়ার অভিযোগে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আহসানুল হককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশে বুধবার তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, ধুনট উপজেলার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী ১৬ জুলাই সকালে নানাবাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়। বখাটে মাসুদ রানা (৩৫) তাকে রাস্তা থেকে অপহরণ করে। ছাত্রীর মা ১২ আগস্ট ধুনট থানায় মাসুদ রানা, ইউপি সদস্য ফজলুল হক বাবু, আবদুল হাই, আবদুল মান্নান, রুবেল হোসেন, সাথী খাতুন ও রুবিয়া খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। স্বজনরা ২৫ সেপ্টেম্বর ভিকটিমকে সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা থেকে উদ্ধার করে। পরে ধুনট থানা পুলিশ তার ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করায়। ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের সত্যতা পাওয়া যায়। মামলার বাদী অভিযোগ করেন, মামলার প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলেও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আহসানুল হক আসামিদের কাউকে গ্রেফতার করেনি।

তিনি তাকে (বাদী) ইউপি সদস্য ফজলুল হকের নাম গোপন করতে নির্দেশ দেন। অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও মামলা তুলে নিতে তার কাছ থেকে সাদা কাগজে সই নেয়া হয়। বিষয়টি বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভুঞা জানতে পেরে এসআই আহসানুল হককে প্রত্যহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন। তবে অভিযুক্ত এসআই ওই মামলার বাদীর অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করে বলেন, বাদী টাকা নিয়ে মীমাংসা করে এখন পুলিশকে বদনাম দিচ্ছেন।