সাবেক মেয়র মুক্তি কারাগারে শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ
jugantor
টাঙ্গাইলে ফারুক হত্যা
সাবেক মেয়র মুক্তি কারাগারে শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

  টাঙ্গাইল প্রতিনিধি  

০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি বুধবার আত্মসমর্পণের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সহিদুর এ মামলার প্রধান আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। ছয় বছর সহিদুর পলাতক ছিলেন। এদিকে ফারুক হত্যা মামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে বিকালে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

সহিদুর খান মুক্তি তার বাবা সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান ও ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার সঙ্গে পাজেরো জিপে করে বেলা পৌনে ১১টায় টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রবেশ করেন। সেখানে আত্মসমর্পণ করে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করেন। সহিদুর রহমান খান মুক্তির পক্ষে প্রায় ২৫ জন আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেন। তার বেশির ভাগই বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত হয়ে নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী ও মামলার বাদী নাহার আহমেদ ন্যায়বিচারের স্বার্থে সহিদুরকে জামিন না দেয়ার জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানান। শুনানি শেষে বিচারক সিকান্দার জুলকান নাইন দুপুরের পর আদেশ দেবেন বলে জানান। পরে বিকাল ৩টায় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিকে ফারুক হত্যা মামলায় জামিন আবেদন শুনানির পর সহিদুর রহমান খান মুক্তির আইনজীবীরা তাকে দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি অস্ত্র মামলায় আত্মসমর্পণের সুযোগের আবেদন জানান। পরে আদালত পরিদর্শকের মাধ্যমে তাকে ওই আদালতে পাঠানো হয়। সাড়ে ১২টার দিকে দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গিয়ে একটি অস্ত্র মামলায় আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু অস্ত্র মামলার আত্মসমর্পণের শুনানি হয়নি। প্রসঙ্গত, সহিদুর গত সোমবার (২৩ নভেম্বর) আত্মসমর্পণ করতে টাঙ্গাইল আদালতে এসেছিলেন। কিন্তু বিচারক না আসায় তিনি নির্বিঘ্নে চলে যান। ফারুক হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদের নেতৃত্বে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের শহীদ মিনারের সামনে পথসভা করে।

এতে বক্তব্য দেন নাহার আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।

টাঙ্গাইলে ফারুক হত্যা

সাবেক মেয়র মুক্তি কারাগারে শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

 টাঙ্গাইল প্রতিনিধি 
০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি বুধবার আত্মসমর্পণের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সহিদুর এ মামলার প্রধান আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই। ছয় বছর সহিদুর পলাতক ছিলেন। এদিকে ফারুক হত্যা মামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে বিকালে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

সহিদুর খান মুক্তি তার বাবা সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান ও ভাই সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার সঙ্গে পাজেরো জিপে করে বেলা পৌনে ১১টায় টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রবেশ করেন। সেখানে আত্মসমর্পণ করে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন প্রার্থনা করেন। সহিদুর রহমান খান মুক্তির পক্ষে প্রায় ২৫ জন আইনজীবী শুনানিতে অংশ নেন। তার বেশির ভাগই বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত হয়ে নিহত ফারুক আহমেদের স্ত্রী ও মামলার বাদী নাহার আহমেদ ন্যায়বিচারের স্বার্থে সহিদুরকে জামিন না দেয়ার জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানান। শুনানি শেষে বিচারক সিকান্দার জুলকান নাইন দুপুরের পর আদেশ দেবেন বলে জানান। পরে বিকাল ৩টায় বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এদিকে ফারুক হত্যা মামলায় জামিন আবেদন শুনানির পর সহিদুর রহমান খান মুক্তির আইনজীবীরা তাকে দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি অস্ত্র মামলায় আত্মসমর্পণের সুযোগের আবেদন জানান। পরে আদালত পরিদর্শকের মাধ্যমে তাকে ওই আদালতে পাঠানো হয়। সাড়ে ১২টার দিকে দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে গিয়ে একটি অস্ত্র মামলায় আত্মসমর্পণ করেন। কিন্তু অস্ত্র মামলার আত্মসমর্পণের শুনানি হয়নি। প্রসঙ্গত, সহিদুর গত সোমবার (২৩ নভেম্বর) আত্মসমর্পণ করতে টাঙ্গাইল আদালতে এসেছিলেন। কিন্তু বিচারক না আসায় তিনি নির্বিঘ্নে চলে যান। ফারুক হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদের নেতৃত্বে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের শহীদ মিনারের সামনে পথসভা করে।

এতে বক্তব্য দেন নাহার আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।