রাজশাহীতে রানার বিরুদ্ধে চার্জশিট
jugantor
ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ
রাজশাহীতে রানার বিরুদ্ধে চার্জশিট

  রাজশাহী ব্যুরো  

০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের মামলায় রাজশাহীতে চিকিৎসক এএসএম সাখাওয়াত হোসেন রানার (৪২) বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। ১২ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ডা. রানা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ডা. রানা বিবাহিত। সন্তানও আছে। আর ভুক্তভোগী নারী অবিবাহিত। তাদের দু’জনেরই বই লেখার অভ্যাস রয়েছে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহীর এক ছাপাখানায় তাদের পরিচয়। সে দিনই ডা. রানা ওই নারীর ফোন নম্বর নেন। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর নানা কায়দায় বিশ্বাস স্থাপন করে ওই নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলেন ডা. রানা। কিন্তু কিছুতেই তাকে বিয়ে করছিলেন না। এ কারণে ওই নারী তাকে এড়িয়ে যেতে শুরু করেন। কিন্তু ২৫ জুলাই ডা. রানা ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি ভিডিওচিত্র দেখিয়ে বলেন, তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যেতে হবে। তা না হলে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হবে। এভাবে ভয় দেখিয়ে ডা. রানা তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই ভিডিওচিত্র নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। তখন ওই নারীর বান্ধবী বাইরে থেকে ঘরের দরজা আটকে জাতীয় জারুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে ডা. রানাকে আটক করে। এরপর ওই নারী থানায় মামলা করেন। নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি শাহাদাত হোসেন খান জানান, গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে ডা. রানা কারাগারে আছেন। ওই নারীকে ধর্ষণের ভিডিওচিত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।

ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ

রাজশাহীতে রানার বিরুদ্ধে চার্জশিট

 রাজশাহী ব্যুরো 
০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের মামলায় রাজশাহীতে চিকিৎসক এএসএম সাখাওয়াত হোসেন রানার (৪২) বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। ১২ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ডা. রানা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের চক্ষু বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার। অভিযোগপত্রে বলা হয়, ডা. রানা বিবাহিত। সন্তানও আছে। আর ভুক্তভোগী নারী অবিবাহিত। তাদের দু’জনেরই বই লেখার অভ্যাস রয়েছে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহীর এক ছাপাখানায় তাদের পরিচয়। সে দিনই ডা. রানা ওই নারীর ফোন নম্বর নেন। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর নানা কায়দায় বিশ্বাস স্থাপন করে ওই নারীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলেন ডা. রানা। কিন্তু কিছুতেই তাকে বিয়ে করছিলেন না। এ কারণে ওই নারী তাকে এড়িয়ে যেতে শুরু করেন। কিন্তু ২৫ জুলাই ডা. রানা ওই নারীর ভাড়া বাসায় গিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একটি ভিডিওচিত্র দেখিয়ে বলেন, তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যেতে হবে। তা না হলে ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হবে। এভাবে ভয় দেখিয়ে ডা. রানা তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর ওই ভিডিওচিত্র নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। তখন ওই নারীর বান্ধবী বাইরে থেকে ঘরের দরজা আটকে জাতীয় জারুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে ডা. রানাকে আটক করে। এরপর ওই নারী থানায় মামলা করেন। নগরীর রাজপাড়া থানার ওসি শাহাদাত হোসেন খান জানান, গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে ডা. রানা কারাগারে আছেন। ওই নারীকে ধর্ষণের ভিডিওচিত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।