ডাকাতির সময় লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
jugantor
ডাকাতির সময় লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে মনির হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে নিজ বাসায় কুপিয়ে হত্যা করেছে ডাকাতরা। সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের আন্ধারমানিক গ্রামে শুক্রবার ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় তার স্ত্রী মিলন বেগমকে কুপিয়ে জখম করা হয়। আহত মিলনকে সকালে উদ্ধার করে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। নিহত মনির তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও আন্ধারমানিক গ্রামের আলি আহম্মদ বাসুর ছেলে। পেশায় তিনি ইটভাটার মাটির সর্দার ছিলেন। ১৫ দিন আগে তিনি ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বলে জানা গেছে। তার এক মেয়ে ও তিন ছেলে রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মনির মাটির ব্যবসায়ী ছিলেন। এক ইটভাটা মালিক মাটির জন্য বৃহস্পতিবার তাকে দুই লাখ টাকা দেন। মনিরের নতুন বাসার বাইরে কলাপসিপল গেট থাকলেও ভেতরে দরজা এখনও লাগানো হয়নি। শুক্রবার ভোর রাতে মই দিয়ে ডাকাত দল বাসার ছাদে উঠে। ছাদের দরজা না থাকায় তারা বাসায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের বেঁধে ফেলে। একপর্যায়ে মনির ও তার স্ত্রী মিলনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এ সময় মনিরের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, দুই লাখ টাকা ও ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় তারা। পরে পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

হাসপাতালে নেয়ার পথে মনির মারা যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত মিলনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন। লক্ষ্মীপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু বলেন, এটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করেছি। নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য পুলিশকে বলেছি। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামানসহ আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ডাকাতি করতে এসেই মনিরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডাকাতির সময় লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে মনির হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতাকে নিজ বাসায় কুপিয়ে হত্যা করেছে ডাকাতরা। সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের আন্ধারমানিক গ্রামে শুক্রবার ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় তার স্ত্রী মিলন বেগমকে কুপিয়ে জখম করা হয়। আহত মিলনকে সকালে উদ্ধার করে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। নিহত মনির তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি ও আন্ধারমানিক গ্রামের আলি আহম্মদ বাসুর ছেলে। পেশায় তিনি ইটভাটার মাটির সর্দার ছিলেন। ১৫ দিন আগে তিনি ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বলে জানা গেছে। তার এক মেয়ে ও তিন ছেলে রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মনির মাটির ব্যবসায়ী ছিলেন। এক ইটভাটা মালিক মাটির জন্য বৃহস্পতিবার তাকে দুই লাখ টাকা দেন। মনিরের নতুন বাসার বাইরে কলাপসিপল গেট থাকলেও ভেতরে দরজা এখনও লাগানো হয়নি। শুক্রবার ভোর রাতে মই দিয়ে ডাকাত দল বাসার ছাদে উঠে। ছাদের দরজা না থাকায় তারা বাসায় ঢুকে পরিবারের সদস্যদের বেঁধে ফেলে। একপর্যায়ে মনির ও তার স্ত্রী মিলনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এ সময় মনিরের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, দুই লাখ টাকা ও ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় তারা। পরে পরিবারের সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

হাসপাতালে নেয়ার পথে মনির মারা যান। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আহত মিলনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন। লক্ষ্মীপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু বলেন, এটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করেছি। নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য পুলিশকে বলেছি। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, পুলিশ সুপার ড. এএইচএম কামরুজ্জামানসহ আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ডাকাতি করতে এসেই মনিরকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।