খুলনায় জঙ্গি সংগঠন আল্লার দলের আট সদস্য গ্রেফতার
jugantor
খুলনায় জঙ্গি সংগঠন আল্লার দলের আট সদস্য গ্রেফতার

  খুলনা ব্যুরো  

২০ ডিসেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনায় গোপন বৈঠককালে ‘আল্লার দল’ নামক সংগঠনের আট সদস্যকে গ্রেফতারের দাবি করেছে র‌্যাব-৬। শনিবার দুপুরে র‌্যাব-৬ খুলনার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তাদের কাছ থেকে উগ্রবাদী নথিপত্র, নগদ টাকা এবং ১৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতাররা হল সংগঠনের খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার থানা নায়েক হাফিজুর রহমান, সদস্য জিল্লুর রহমান, আলমগীর হোসেন মুন্সী, কাইয়ুম হোসেন, রাজিবুল আলম, সুমন বেপারি, মুস্তাকিন হোসেন ও জাহাঙ্গীর।

র‌্যাব-৬ সূত্র জানায়, নগরীর লবণচরার সালাউদ্দিন ইউসুফ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে কাইয়ুম আয়রন ওয়ার্কশপে বেশ কয়েক সদস্য গোপন বৈঠক করছিল। এ সংবাদ পেয়ে শুক্রবার সেখানে অভিযান চালানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাফিজুর রহমান স্বীকার করেছে, সে ২০১৭ সালের জুনে এক শীর্ষ নেতার কাছে বায়াত গ্রহণ করে। এরপর সে তার তুষ কাঠের মিলের ব্যবসার পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনকে দাওয়াত প্রদান করতে থাকে। ২০১৮ সালে থানা নায়েক পদের দায়িত্ব পায়। পূর্বের দায়িত্বশীলরা গ্রেফতার হওয়ায় বর্তমানে অন্য সদস্যদের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাতের মাধ্যমে সে তার ব্যবসার কাজের পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তারা দেশের বিদ্যমান আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিল।

খুলনায় জঙ্গি সংগঠন আল্লার দলের আট সদস্য গ্রেফতার

 খুলনা ব্যুরো 
২০ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

খুলনায় গোপন বৈঠককালে ‘আল্লার দল’ নামক সংগঠনের আট সদস্যকে গ্রেফতারের দাবি করেছে র‌্যাব-৬। শনিবার দুপুরে র‌্যাব-৬ খুলনার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তাদের কাছ থেকে উগ্রবাদী নথিপত্র, নগদ টাকা এবং ১৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতাররা হল সংগঠনের খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার থানা নায়েক হাফিজুর রহমান, সদস্য জিল্লুর রহমান, আলমগীর হোসেন মুন্সী, কাইয়ুম হোসেন, রাজিবুল আলম, সুমন বেপারি, মুস্তাকিন হোসেন ও জাহাঙ্গীর।

র‌্যাব-৬ সূত্র জানায়, নগরীর লবণচরার সালাউদ্দিন ইউসুফ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পূর্বপাশে কাইয়ুম আয়রন ওয়ার্কশপে বেশ কয়েক সদস্য গোপন বৈঠক করছিল। এ সংবাদ পেয়ে শুক্রবার সেখানে অভিযান চালানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাফিজুর রহমান স্বীকার করেছে, সে ২০১৭ সালের জুনে এক শীর্ষ নেতার কাছে বায়াত গ্রহণ করে। এরপর সে তার তুষ কাঠের মিলের ব্যবসার পাশাপাশি স্থানীয় লোকজনকে দাওয়াত প্রদান করতে থাকে। ২০১৮ সালে থানা নায়েক পদের দায়িত্ব পায়। পূর্বের দায়িত্বশীলরা গ্রেফতার হওয়ায় বর্তমানে অন্য সদস্যদের সঙ্গে গোপনে সাক্ষাতের মাধ্যমে সে তার ব্যবসার কাজের পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তারা দেশের বিদ্যমান আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন