পূর্বধলায় লাশের মিছিল দেখে স্তব্ধ এলাকাবাসী
jugantor
পূর্বধলায় লাশের মিছিল দেখে স্তব্ধ এলাকাবাসী

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

০৪ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সবাই হতবাক! এর আগে একসঙ্গে এত লাশ দেখেননি এলাকাবাসী। একই পরিবারের ছয়জনের লাশ। ক্ষত-বিক্ষত লাশের মিছিল স্তব্ধ করেছে সবাইকে। কথা ছিল বাড়িতে নতুন অতিথি এলে আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে করা হবে আকিকার অনুষ্ঠান। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে। এখন কাকে নিয়ে বাঁচব। আমার আর কেউ রইল না।

বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন আর বলছিলেন মাওলানা ফারুকের মা আয়েশা খাতুন। তিনি বলছিলেন ছেলে, মেয়ে, নাতি, বউসহ ছয়জন শেষ হয়ে গেছে। নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যুতে এখন শুধুই কান্নার রোল, শোকের মাতম। পরিবারের স্বজনদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না প্রতিবেশীরাও। মাওলানা ফারুক মিয়ার স্ত্রী মাসুমা আক্তারের প্রসব ব্যথা শুরু হলে বৃহস্পতিবার প্রথমে তাকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে নেয়া হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে স্বাভাবিক প্রসব হয় ছেলে শিশুর। রোববার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে সবাই বাড়ি ফিরছিলেন।

পথে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের তারকান্দা উপজেলার গাছতলা এলাকায় শাহজালাল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নিহত হন সাতজন। তারা হলেন- নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের ফেছুয়ালেঞ্জি গ্রামের মাওলানা ফারুক মিয়া, তার স্ত্রী মাসুমা আক্তার, নবজাতক, বড়ভাই নিজাম উদ্দিন, বড়বোন তামান্না আক্তার জুলেখা, আরেক বড়ভাই আজিম উদ্দিনের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম ও ময়মনসিংহ সদরের চরলক্ষ্মীপুরের আবুল হোসেনের ছেলে অটোরিকশা চালক রাকিবুল। পরে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি লাশ উদ্ধার করে। পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম রুবেল বলেন, পরিবারের স্বজনদের মাধ্যমে লাশ গ্রহণ করা হয়েছে। দাফনের ব্যবস্থা চলছে।

পূর্বধলায় লাশের মিছিল দেখে স্তব্ধ এলাকাবাসী

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
০৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সবাই হতবাক! এর আগে একসঙ্গে এত লাশ দেখেননি এলাকাবাসী। একই পরিবারের ছয়জনের লাশ। ক্ষত-বিক্ষত লাশের মিছিল স্তব্ধ করেছে সবাইকে। কথা ছিল বাড়িতে নতুন অতিথি এলে আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে করা হবে আকিকার অনুষ্ঠান। কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে। এখন কাকে নিয়ে বাঁচব। আমার আর কেউ রইল না।

বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন আর বলছিলেন মাওলানা ফারুকের মা আয়েশা খাতুন। তিনি বলছিলেন ছেলে, মেয়ে, নাতি, বউসহ ছয়জন শেষ হয়ে গেছে। নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার একই পরিবারের ছয়জনের মৃত্যুতে এখন শুধুই কান্নার রোল, শোকের মাতম। পরিবারের স্বজনদের সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলেন না প্রতিবেশীরাও। মাওলানা ফারুক মিয়ার স্ত্রী মাসুমা আক্তারের প্রসব ব্যথা শুরু হলে বৃহস্পতিবার প্রথমে তাকে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে নেয়া হয় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে স্বাভাবিক প্রসব হয় ছেলে শিশুর। রোববার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে সবাই বাড়ি ফিরছিলেন।

পথে নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের তারকান্দা উপজেলার গাছতলা এলাকায় শাহজালাল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে নিহত হন সাতজন। তারা হলেন- নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের ফেছুয়ালেঞ্জি গ্রামের মাওলানা ফারুক মিয়া, তার স্ত্রী মাসুমা আক্তার, নবজাতক, বড়ভাই নিজাম উদ্দিন, বড়বোন তামান্না আক্তার জুলেখা, আরেক বড়ভাই আজিম উদ্দিনের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম ও ময়মনসিংহ সদরের চরলক্ষ্মীপুরের আবুল হোসেনের ছেলে অটোরিকশা চালক রাকিবুল। পরে শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি লাশ উদ্ধার করে। পূর্বধলা উপজেলার আগিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম রুবেল বলেন, পরিবারের স্বজনদের মাধ্যমে লাশ গ্রহণ করা হয়েছে। দাফনের ব্যবস্থা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন