বাগমারায় আওয়ামী লীগ নেতাকে হাতুড়িপেটা
jugantor
বিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব
বাগমারায় আওয়ামী লীগ নেতাকে হাতুড়িপেটা

  রাজশাহী ব্যুরো  

০৯ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাগমারায় জোঁকাবিলের বিরোধ নিয়ে শহিদুল ইসলাম ভুট্টু (৪২) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ব্যক্তি হলেন নরদাশ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও হাটমাধনগর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় বাগমারা থানায় মামলা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে আওয়ামী লীগ নেতা ভুট্টু হাটমাধনগরে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন। এ সময় স্থানীয় আনিছার হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি আশরাফ আলী ও আফসার হোসেনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ফেলেন। এ সময় জোঁকাবিলের মৎস্য চাষ প্রকল্পের পক্ষে কেন অবস্থান নিয়েছেন-এ নিয়ে কৈফিয়ত চায় হামলাকারীরা। এক পর্যায়ে তারা রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভুট্টুকে পিটিয়ে জখম করে অচেতন অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরে আশপাশের লোকজন ভুট্টুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিবুর রহমান আহত ভুট্টুর দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আলোচিত জোঁকাবিলের মৎস্য চাষ প্রকল্পের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ভুট্টুকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, জোঁকাবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২০১৮ সালে প্রতিপক্ষের লোকজন আনিছুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করে। তিনি ওই বিলের মৎস্য চাষ প্রকল্পের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। ওই হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি আশরাফ আলী ও আফসার হোসেনসহ অন্যরা জামিনে বেরিয়ে আসেন। তারা পুনরায় বিলের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিভিন্ন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। নরদাশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, হামলাকারীরা বিলের নিয়ন্ত্রণ নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তবে অভিযুক্ত আফসার হোসেন এবং আশরাফ আলীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

বিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব

বাগমারায় আওয়ামী লীগ নেতাকে হাতুড়িপেটা

 রাজশাহী ব্যুরো 
০৯ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাগমারায় জোঁকাবিলের বিরোধ নিয়ে শহিদুল ইসলাম ভুট্টু (৪২) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত ব্যক্তি হলেন নরদাশ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও হাটমাধনগর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় বাগমারা থানায় মামলা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে আওয়ামী লীগ নেতা ভুট্টু হাটমাধনগরে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন। এ সময় স্থানীয় আনিছার হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি আশরাফ আলী ও আফসার হোসেনের নেতৃত্বে ১০-১২ জন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ফেলেন। এ সময় জোঁকাবিলের মৎস্য চাষ প্রকল্পের পক্ষে কেন অবস্থান নিয়েছেন-এ নিয়ে কৈফিয়ত চায় হামলাকারীরা। এক পর্যায়ে তারা রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভুট্টুকে পিটিয়ে জখম করে অচেতন অবস্থায় ফেলে চলে যায়। পরে আশপাশের লোকজন ভুট্টুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিবুর রহমান আহত ভুট্টুর দলীয় পরিচয় নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আলোচিত জোঁকাবিলের মৎস্য চাষ প্রকল্পের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ভুট্টুকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, জোঁকাবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২০১৮ সালে প্রতিপক্ষের লোকজন আনিছুর রহমান নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করে। তিনি ওই বিলের মৎস্য চাষ প্রকল্পের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। ওই হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি আশরাফ আলী ও আফসার হোসেনসহ অন্যরা জামিনে বেরিয়ে আসেন। তারা পুনরায় বিলের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিভিন্ন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। নরদাশ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, হামলাকারীরা বিলের নিয়ন্ত্রণ নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তবে অভিযুক্ত আফসার হোসেন এবং আশরাফ আলীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। বাগমারা থানার ওসি মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।