রাজশাহীর ২ এমপির বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
jugantor
কেশরহাট ও তাহেরপুর পৌর নির্বাচন
রাজশাহীর ২ এমপির বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৫ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আয়েন উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেশরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার। নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এবার রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে তাহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠল। শনিবার বাগমারার তাহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের নৌকা প্রতীকের পক্ষে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি প্রচারণা চালান।

পৌর মিলনায়তনে আয়োজিত সুধীসমাজ ও পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বলেন, এ পৌরসভায় উন্নয়নের জোয়ার বইতে শুরু করেছে। মেয়র কালাম এ উন্নয়নের কাণ্ডারি। শেখ হাসিনার হাত ধরে তাহেরপুরকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছেন। মানুষ নৌকায় ভোট দিয়েছে বলে দেশব্যাপী উন্নয়ন হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখুন। এ সময় তার পাশে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন। এতে দলের উল্লেখযোগ্য নেতাকর্মী অংশ নেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বলেন, তিনি সুধীসমাবেশ করেছেন। ভোটারদের কাছে গিয়ে তিনি সরাসরি ভোট চাননি। সরকারের উন্নয়নের কথা তিনি বলেছেন। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। শনিবার সন্ধ্যায় আয়েন উদ্দিন দলীয় প্রার্থী ও প্রতীকের পক্ষে ভোট চাওয়ার কথা অকপটে স্বীকার করেন। তবে এর ব্যাখ্যায় তিনি দাবি করেন, তিনি যেখানে যাচ্ছেন মানুষজন সেখানেই তার কাছে যাচ্ছেন। আর নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি কোনো অপরাধ করেছেন বলে মনে করেন না। কারণ নৌকা হলো উন্নয়নের প্রতীক।

নৌকায় ভোট দিলে এলাকায় উন্নয়ন হয়। এর আগে ১৭ থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়েন উদ্দিন এমপির বিরুদ্ধে নির্বাচন অফিসে চারটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। মোহনপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনারকে ব্যবস্থা নিতে রাজশাহীর সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম নির্দেশ দিলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগের পর আয়েন উদ্দিন কেশরহাটের দলীয় মেয়র প্রার্থী শহীদুজ্জামান শহীদের পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। দুই এমপির নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারের নিষ্ক্রিতায় হতাশা প্রকাশ করেছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। তিনি বলেন, স্থানীয় এমপিরা কেশরহাট ও তাহেরপুর পৌর নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট চাইছেন। অভিযোগ দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না।

কেশরহাট ও তাহেরপুর পৌর নির্বাচন

রাজশাহীর ২ এমপির বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৫ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আয়েন উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেশরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার। নির্বাচন কমিশনেও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এবার রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের বিরুদ্ধে তাহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠল। শনিবার বাগমারার তাহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের নৌকা প্রতীকের পক্ষে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এমপি প্রচারণা চালান।

পৌর মিলনায়তনে আয়োজিত সুধীসমাজ ও পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি বলেন, এ পৌরসভায় উন্নয়নের জোয়ার বইতে শুরু করেছে। মেয়র কালাম এ উন্নয়নের কাণ্ডারি। শেখ হাসিনার হাত ধরে তাহেরপুরকে অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছেন। মানুষ নৌকায় ভোট দিয়েছে বলে দেশব্যাপী উন্নয়ন হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখুন। এ সময় তার পাশে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন। এতে দলের উল্লেখযোগ্য নেতাকর্মী অংশ নেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক বলেন, তিনি সুধীসমাবেশ করেছেন। ভোটারদের কাছে গিয়ে তিনি সরাসরি ভোট চাননি। সরকারের উন্নয়নের কথা তিনি বলেছেন। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। শনিবার সন্ধ্যায় আয়েন উদ্দিন দলীয় প্রার্থী ও প্রতীকের পক্ষে ভোট চাওয়ার কথা অকপটে স্বীকার করেন। তবে এর ব্যাখ্যায় তিনি দাবি করেন, তিনি যেখানে যাচ্ছেন মানুষজন সেখানেই তার কাছে যাচ্ছেন। আর নৌকা প্রতীকের পক্ষে ভোট চেয়ে তিনি কোনো অপরাধ করেছেন বলে মনে করেন না। কারণ নৌকা হলো উন্নয়নের প্রতীক।

নৌকায় ভোট দিলে এলাকায় উন্নয়ন হয়। এর আগে ১৭ থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত আয়েন উদ্দিন এমপির বিরুদ্ধে নির্বাচন অফিসে চারটি লিখিত অভিযোগ করা হয়। মোহনপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনারকে ব্যবস্থা নিতে রাজশাহীর সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম নির্দেশ দিলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগের পর আয়েন উদ্দিন কেশরহাটের দলীয় মেয়র প্রার্থী শহীদুজ্জামান শহীদের পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। দুই এমপির নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং অফিসারের নিষ্ক্রিতায় হতাশা প্রকাশ করেছেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। তিনি বলেন, স্থানীয় এমপিরা কেশরহাট ও তাহেরপুর পৌর নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোট চাইছেন। অভিযোগ দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না।