রাজশাহীতে সমালোচনার ঝড়
jugantor
পৌর ভোটে এমপির উসকানিমূলক বক্তব্য
রাজশাহীতে সমালোচনার ঝড়

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৬ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীর মুন্ডুমালা পৌরসভার ৩০ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোটের মাঠে নেতাকর্মীদের ‘লাঠি কাটা’ ও ‘লাঠি খেলা’ দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিপক্ষকে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ওমর ফারুক চৌধুরীর দেওয়া এ উসকানিমূলক বক্তব্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে জেলাজুড়ে। পৌরসভার পার্শ্ববর্তী দুবইল স্কুল মাঠে রোববার সন্ধ্যায় আয়োজিত দলীয় সমাবেশে এমপি ফারুক নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক এ বক্তব্য দেন। এর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন মাধ্যমে।

নিজের দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও এমপি ফারুকের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন প্রকাশ্যে। পৌরসভায় দলীয় মেয়র প্রার্থী আমির হোসেন আমিনের সমর্থনে তিনি এমন বক্তব্য দেন। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাইদুর রহমান ও বিএনপির ফিরোজ কবীরও ভোটে লড়ছেন। মুন্ডুমালা পৌরসভার কাছে তানোরের দুবইল স্কুল মাঠে পাঁচন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভায় প্রধান অতিথি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন ‘প্রতিটা কেন্দে আমার নির্বাচনের সময় ২০০৮ সালে বলেছিলাম- একশ, দেড়শ, দুশ’ করে লাঠি কেটে রাখবেন। বলেছিলাম না? হ্যাঁ বলেছিলাম। ২০০৮ সালের কথা এটা। এ ফর্মুলা এবার মুন্ডুমালা পৌর নির্বাচনে নিয়ে নিতে হবে মাথায়। লাঠি কেটে রাখতে হবে। যদি ভোটের দিন ব্যবহার করতে হয়, তাহলে ব্যবহার করবেন। না হলে ভোটে বিজয়ী হওয়ার পরে ওই লাঠি খেলা হবে মুন্ডুমালায়। বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা আওয়ামী লীগের খাও আর আওয়ামী লীগের গায়ে থুতু ফেল? এদেরকে এবার শিক্ষা দিতে হবে।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, দলীয় সংসদ সদস্যের এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর। তার এ বক্তব্য দেওয়া কোনোভাবেই উচিত হয়নি।

ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পৌর ভোটে এমপির উসকানিমূলক বক্তব্য

রাজশাহীতে সমালোচনার ঝড়

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৬ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহীর মুন্ডুমালা পৌরসভার ৩০ জানুয়ারির নির্বাচনে ভোটের মাঠে নেতাকর্মীদের ‘লাঠি কাটা’ ও ‘লাঠি খেলা’ দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিপক্ষকে রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ওমর ফারুক চৌধুরীর দেওয়া এ উসকানিমূলক বক্তব্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে জেলাজুড়ে। পৌরসভার পার্শ্ববর্তী দুবইল স্কুল মাঠে রোববার সন্ধ্যায় আয়োজিত দলীয় সমাবেশে এমপি ফারুক নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক এ বক্তব্য দেন। এর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে বিভিন্ন মাধ্যমে।

নিজের দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও এমপি ফারুকের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন প্রকাশ্যে। পৌরসভায় দলীয় মেয়র প্রার্থী আমির হোসেন আমিনের সমর্থনে তিনি এমন বক্তব্য দেন। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাইদুর রহমান ও বিএনপির ফিরোজ কবীরও ভোটে লড়ছেন। মুন্ডুমালা পৌরসভার কাছে তানোরের দুবইল স্কুল মাঠে পাঁচন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভায় প্রধান অতিথি ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন ‘প্রতিটা কেন্দে আমার নির্বাচনের সময় ২০০৮ সালে বলেছিলাম- একশ, দেড়শ, দুশ’ করে লাঠি কেটে রাখবেন। বলেছিলাম না? হ্যাঁ বলেছিলাম। ২০০৮ সালের কথা এটা। এ ফর্মুলা এবার মুন্ডুমালা পৌর নির্বাচনে নিয়ে নিতে হবে মাথায়। লাঠি কেটে রাখতে হবে। যদি ভোটের দিন ব্যবহার করতে হয়, তাহলে ব্যবহার করবেন। না হলে ভোটে বিজয়ী হওয়ার পরে ওই লাঠি খেলা হবে মুন্ডুমালায়। বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা আওয়ামী লীগের খাও আর আওয়ামী লীগের গায়ে থুতু ফেল? এদেরকে এবার শিক্ষা দিতে হবে।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, দলীয় সংসদ সদস্যের এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য সংগঠনের জন্য ক্ষতিকর। তার এ বক্তব্য দেওয়া কোনোভাবেই উচিত হয়নি।

ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।