অর্থ আত্মসাতের দায়ে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার কারাদণ্ড
jugantor
অর্থ আত্মসাতের দায়ে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় আদালতে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি টাকা আত্মসাতের দায়ে কোর্ট উপ-পরিদর্শক (সিএসআই) মোস্তফা হাওলাদার নামে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ বিশেষ আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে সোমবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় এ মামলার অপর আসামি কোর্ট ইন্সপেক্টর কায়েম উদ্দিনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তফা ভোলা জেলার আলগী গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে মোস্তফা হাওলাদার কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মালখানায় সিনিয়র পুলিশ উপ-পরিদর্শক নিযুক্ত ছিলেন। এ সময় দুটি মামলার আদায় করা জরিমানার টাকা যথাক্রমে ৪৩ হাজার ও ২০ হাজার ২০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করার দায়িত্ব ছিল তার উপর। কিন্তু তিনি ওই টাকার জায়গায় যথাক্রমে তিন হাজার ও ২০০ টাকা জমা করেন। জমা দেওয়া ওই ট্রেজারি চালানের কপিতে ঘষামাজা করে তিন হাজারকে ৪৩ হাজার ও ২০০ টাকাকে ২০ হাজার ২০০ টাকা দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেন।

পরে বিষয়টি নিরীক্ষায় ধরা পড়লে আদালত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেন পুলিশ সুপারকে। কিন্তু নানাভাবে আইনের ফাঁকফোকর গলে সেই যাত্রায় তিনি পার পেয়ে যান। বিষয়টি আদালতের নজরে আসায় তদন্তসহ মামলার আদেশ দেওয়া হয় দুদককে। দুদকের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া সদর থানায় কোর্ট ইন্সপেক্টর কায়েম উদ্দিনসহ তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

অর্থ আত্মসাতের দায়ে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় আদালতে দায়িত্ব পালনকালে সরকারি টাকা আত্মসাতের দায়ে কোর্ট উপ-পরিদর্শক (সিএসআই) মোস্তফা হাওলাদার নামে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ বিশেষ আদালতের বিচারক আশরাফুল ইসলাম আসামির উপস্থিতিতে সোমবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় এ মামলার অপর আসামি কোর্ট ইন্সপেক্টর কায়েম উদ্দিনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তফা ভোলা জেলার আলগী গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালে মোস্তফা হাওলাদার কুষ্টিয়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মালখানায় সিনিয়র পুলিশ উপ-পরিদর্শক নিযুক্ত ছিলেন। এ সময় দুটি মামলার আদায় করা জরিমানার টাকা যথাক্রমে ৪৩ হাজার ও ২০ হাজার ২০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করার দায়িত্ব ছিল তার উপর। কিন্তু তিনি ওই টাকার জায়গায় যথাক্রমে তিন হাজার ও ২০০ টাকা জমা করেন। জমা দেওয়া ওই ট্রেজারি চালানের কপিতে ঘষামাজা করে তিন হাজারকে ৪৩ হাজার ও ২০০ টাকাকে ২০ হাজার ২০০ টাকা দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেন।

পরে বিষয়টি নিরীক্ষায় ধরা পড়লে আদালত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেন পুলিশ সুপারকে। কিন্তু নানাভাবে আইনের ফাঁকফোকর গলে সেই যাত্রায় তিনি পার পেয়ে যান। বিষয়টি আদালতের নজরে আসায় তদন্তসহ মামলার আদেশ দেওয়া হয় দুদককে। দুদকের তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ২০১০ সালের ১২ ডিসেম্বর কুষ্টিয়া সদর থানায় কোর্ট ইন্সপেক্টর কায়েম উদ্দিনসহ তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন