মাদক মামলায় দণ্ডিত বৃদ্ধা থাকবেন বাড়িতেই!
jugantor
যশোর আদালতে ব্যতিক্রমী রায়
মাদক মামলায় দণ্ডিত বৃদ্ধা থাকবেন বাড়িতেই!

  যশোর ব্যুরো  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে মাদক মামলায় দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বৃদ্ধা আজিমন বেগমকে সাত শর্তে বাড়িতেই বসবাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার যশোরের যুগ্ম দায়রা জজ শিমুল কুমার বিশ্বাস ভিন্নধর্মী এই রায় দিয়েছেন। সাজার এই মেয়াদে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসারের নজরদারিতে থাকতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত পঞ্চাশোর্ধ আজিমন বেগম যশোর সদর উপজেলার পুলেরহাট-কৃষ্ণবাটি গ্রামের মনির শেখের স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ২০ আগস্ট বেনাপোলের ত্রিমোনী হরিমালী গেট নামক স্থান থেকে আজিমন বেগমকে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোরের কর্মকর্তারা। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সলিমুল্লাহ বেনাপোল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিটও দেওয়া হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় বিচারক আজিমন বেগমকে দুই বছরের দণ্ড দিয়েছেন। তবে ওই দণ্ড কারাগারে নয় বরং বাড়িতেই তিনি থাকতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাকে সাতটি শর্ত পালন করতে হবে। শর্তগুলো হল, সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসারের নজরদারিতে থেকে কোনো প্রকার অপরাধে জড়িত থাকতে পারবেন না। সর্বত্র শান্তি বজায় রাখবেন এবং সবার সঙ্গে সদাচারণ করবেন।

আদালত অথবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাকে কখনও তলব করলে শাস্তি ভোগ করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যথাস্থানে হাজির হবেন। কোনো প্রকার মাদক সেবন, বহন, সংরক্ষণ এবং সেবনকারী, বহনকারী ও হেফাজতকারীর সঙ্গে মেলামেশা বা চলাফেরা করতে পারবেন না। প্রবেশন অফিসারের লিখিত অনুমতি ব্যতিত নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না।

আদালতের ব্যতিক্রমী এই রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত কৌশলী আয়ুব খান বাবুল।

যশোর আদালতে ব্যতিক্রমী রায়

মাদক মামলায় দণ্ডিত বৃদ্ধা থাকবেন বাড়িতেই!

 যশোর ব্যুরো 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে মাদক মামলায় দুই বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বৃদ্ধা আজিমন বেগমকে সাত শর্তে বাড়িতেই বসবাসের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার যশোরের যুগ্ম দায়রা জজ শিমুল কুমার বিশ্বাস ভিন্নধর্মী এই রায় দিয়েছেন। সাজার এই মেয়াদে তাকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসারের নজরদারিতে থাকতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত পঞ্চাশোর্ধ আজিমন বেগম যশোর সদর উপজেলার পুলেরহাট-কৃষ্ণবাটি গ্রামের মনির শেখের স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৯ সালের ২০ আগস্ট বেনাপোলের ত্রিমোনী হরিমালী গেট নামক স্থান থেকে আজিমন বেগমকে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোরের কর্মকর্তারা। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সলিমুল্লাহ বেনাপোল থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিটও দেওয়া হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় বিচারক আজিমন বেগমকে দুই বছরের দণ্ড দিয়েছেন। তবে ওই দণ্ড কারাগারে নয় বরং বাড়িতেই তিনি থাকতে পারবেন। এক্ষেত্রে তাকে সাতটি শর্ত পালন করতে হবে। শর্তগুলো হল, সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রবেশন অফিসারের নজরদারিতে থেকে কোনো প্রকার অপরাধে জড়িত থাকতে পারবেন না। সর্বত্র শান্তি বজায় রাখবেন এবং সবার সঙ্গে সদাচারণ করবেন।

আদালত অথবা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাকে কখনও তলব করলে শাস্তি ভোগ করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যথাস্থানে হাজির হবেন। কোনো প্রকার মাদক সেবন, বহন, সংরক্ষণ এবং সেবনকারী, বহনকারী ও হেফাজতকারীর সঙ্গে মেলামেশা বা চলাফেরা করতে পারবেন না। প্রবেশন অফিসারের লিখিত অনুমতি ব্যতিত নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না।

আদালতের ব্যতিক্রমী এই রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত কৌশলী আয়ুব খান বাবুল।