যশোরে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
jugantor
তালাকনামা গোপন করে সম্পর্ক
যশোরে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

  যশোর ব্যুরো  

২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন এক নারী। তালাকের বিষয়টি গোপন রেখে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগে এই মামলা করা হয়েছে। যশোর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বামী আব্দুর রহমানের নামে সোমবার মামলা করেন ওই নারী। বিচারক মো. সাইফুদ্দীন হোসাইন মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন। আসামি আব্দুর রহমান যশোর শহরের নাজির শংকরপুর সাদেক দারোগার মোড়ের আব্দুল ওহাবের ছেলে। বাদী মামলায় উল্লেখ করেছেন, ২০০৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর আসামি আব্দুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই যৌতুক দাবিতে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করেন স্বামী। কিন্তু ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে নির্যাতন সহ্য করেও তিনি সংসার করতে থাকেন। কিন্তু স্বামীর চাহিদামতো যৌতুকের টাকা না দেয়ায় তাকে মারধরের পর বাবার বাড়ি তাড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আব্দুর রহমান। এরপর ২০২০ সালে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা করেন ওই নারী। গত ১৫ ফেব্র“য়ারি ওই মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে বলে একটি তালাকনামা আদালতে উপস্থাপন করেন আব্দুর রহমান। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ২০ জানুয়ারি তাকে তালাক দেয়া হয়েছে। অথচ তালাকের কোনো নোটিশ বাদীকে বা সংশ্লিষ্ট পৌরসভায় প্রদান করা হয়নি।

বাদীর অভিযোগ, ওই নোটিশ অনুযায়ী, তালাকের পর ২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর, ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি ও ১৬ মার্চ বাদীকে চিকিৎসা করানোর জন্য ঢাকার নয়াপল্টনে দি ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে রাত যাপন করেছেন। পরে ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল ও ২৩ জুন ভারতেও চিকিৎসার জন্য তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে রাত যাপন করেছেন। ফলে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে তালাকের বিষয়টি গোপন করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ধর্ষণের শামিল’ উল্লেখ করে তিনি এই মামলা করেছেন।

তালাকনামা গোপন করে সম্পর্ক

যশোরে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

 যশোর ব্যুরো 
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যশোরে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন এক নারী। তালাকের বিষয়টি গোপন রেখে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগে এই মামলা করা হয়েছে। যশোর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বামী আব্দুর রহমানের নামে সোমবার মামলা করেন ওই নারী। বিচারক মো. সাইফুদ্দীন হোসাইন মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন। আসামি আব্দুর রহমান যশোর শহরের নাজির শংকরপুর সাদেক দারোগার মোড়ের আব্দুল ওহাবের ছেলে। বাদী মামলায় উল্লেখ করেছেন, ২০০৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর আসামি আব্দুর রহমানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের একটি ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই যৌতুক দাবিতে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন করেন স্বামী। কিন্তু ছেলের ভবিষ্যতের কথা ভেবে নির্যাতন সহ্য করেও তিনি সংসার করতে থাকেন। কিন্তু স্বামীর চাহিদামতো যৌতুকের টাকা না দেয়ায় তাকে মারধরের পর বাবার বাড়ি তাড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন আব্দুর রহমান। এরপর ২০২০ সালে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা করেন ওই নারী। গত ১৫ ফেব্র“য়ারি ওই মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে এসে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে বলে একটি তালাকনামা আদালতে উপস্থাপন করেন আব্দুর রহমান। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ২০ জানুয়ারি তাকে তালাক দেয়া হয়েছে। অথচ তালাকের কোনো নোটিশ বাদীকে বা সংশ্লিষ্ট পৌরসভায় প্রদান করা হয়নি।

বাদীর অভিযোগ, ওই নোটিশ অনুযায়ী, তালাকের পর ২০১৮ সালের ২২ ডিসেম্বর, ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারি ও ১৬ মার্চ বাদীকে চিকিৎসা করানোর জন্য ঢাকার নয়াপল্টনে দি ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে রাত যাপন করেছেন। পরে ২০১৯ সালের ২৭ এপ্রিল ও ২৩ জুন ভারতেও চিকিৎসার জন্য তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে রাত যাপন করেছেন। ফলে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে তালাকের বিষয়টি গোপন করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন ধর্ষণের শামিল’ উল্লেখ করে তিনি এই মামলা করেছেন।