সম্পত্তির লোভে বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে মাকে হত্যা
jugantor
সম্পত্তির লোভে বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে মাকে হত্যা

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সম্পত্তির লোভে মাকে হত্যা করে বস্তাবন্দি লাশ পুকুরে ফেলে নিজেই থানায় ‘মা অপহরণ হয়েছে’ বলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে ছেলে। এ ঘটনা ঘটে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের দক্ষিণ কাটদহে। ঘটনার ৩৪ দিন পর মমতাজ বেগম নামে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে মুন্না বাবুসহ ঘটনায় জড়িত তার বন্ধু রাব্বি ও চাচা আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রেস বিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফরহাদ হোসেন, গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আমিনুল ইসলাম, পরিদর্শক আশরাফুল ইসলামসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস বিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, মমতাজ বেগমের এক ছেলে ও তিন মেয়ে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি ছেলে মুন্না বাবুর সঙ্গে বসবাস করতেন। মা যাতে মেয়েদের সম্পত্তির ভাগ দিতে না পারে সেই লক্ষ্যে বন্ধু রাব্বি ও চাচা আব্দুল কাদেরকে নিয়ে মাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি তিনজন মিলে মমতাজকে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেয়। পরে ২১ জানুয়ারি ছেলে মুন্না মিরপুর থানায় তার মাকে কে বা কারা অপরণ করেছে এ মর্মে জিডি করে। এরপর মুন্না তার বন্ধু রাব্বিকে অপহরণকারী সাজিয়ে তার (মুন্না) দুলাভাইয়ের কাছে ফোন করিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। জিডি ও ফোনকলের সূত্র ধরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে তদন্তে নামে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে ঘটনার ৩৪ দিন পর মঙ্গলবার লাশ উদ্ধার করা হয়।

সম্পত্তির লোভে বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে মাকে হত্যা

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সম্পত্তির লোভে মাকে হত্যা করে বস্তাবন্দি লাশ পুকুরে ফেলে নিজেই থানায় ‘মা অপহরণ হয়েছে’ বলে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে ছেলে। এ ঘটনা ঘটে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউনিয়নের দক্ষিণ কাটদহে। ঘটনার ৩৪ দিন পর মমতাজ বেগম নামে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করেছে কুষ্টিয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার এসএম তানভির আরাফাত। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে মুন্না বাবুসহ ঘটনায় জড়িত তার বন্ধু রাব্বি ও চাচা আব্দুল কাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রেস বিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফরহাদ হোসেন, গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আমিনুল ইসলাম, পরিদর্শক আশরাফুল ইসলামসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রেস বিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, মমতাজ বেগমের এক ছেলে ও তিন মেয়ে। মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি ছেলে মুন্না বাবুর সঙ্গে বসবাস করতেন। মা যাতে মেয়েদের সম্পত্তির ভাগ দিতে না পারে সেই লক্ষ্যে বন্ধু রাব্বি ও চাচা আব্দুল কাদেরকে নিয়ে মাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি তিনজন মিলে মমতাজকে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেয়। পরে ২১ জানুয়ারি ছেলে মুন্না মিরপুর থানায় তার মাকে কে বা কারা অপরণ করেছে এ মর্মে জিডি করে। এরপর মুন্না তার বন্ধু রাব্বিকে অপহরণকারী সাজিয়ে তার (মুন্না) দুলাভাইয়ের কাছে ফোন করিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। জিডি ও ফোনকলের সূত্র ধরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে তদন্তে নামে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে ঘটনার ৩৪ দিন পর মঙ্গলবার লাশ উদ্ধার করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন