ইবির চার ছাত্রী মেসে হয়রানির শিকার
jugantor
ইবির চার ছাত্রী মেসে হয়রানির শিকার

  ইবি প্রতিনিধি  

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেসে অবস্থান করা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চার ছাত্রী দফায় দফায় হয়রানির শিকার হয়েছেন। মধ্যরাত থেকে ভোররাত পর্যন্ত তাদের জানালার সামনে বখাটেরা অশ্লীল কথাবার্তা ও বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের শেখপাড়া বাজারে ভাড়া বাড়িতে (মেসে) এ ঘটনা ঘটে। ইবি অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও ভুক্তভোগীরা জানান, এ ঘটনায় তারা আতঙ্কিত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে সহপাঠী, শিক্ষক ও প্রক্টরিয়াল বডির সহায়তায় ঘটনাটি পুলিশকে অবহিত করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ামাত্র বখাটেরা পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীরা মেস ছেড়ে দেন এবং প্রক্টরের কাছে অভিযোগ করেন। মালামাল আবাসিক হলে রেখে প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় তারা বাড়ি ফিরে যান। এ ঘটনা জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইবি শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওয়াত এনে শাস্তির দাবি করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থী। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করায় কোনো উপায় না পেয়ে তারা একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে পড়াশুনা করছিলেন। তাদের সঙ্গে মেস মালিকের স্ত্রী ও এক মেয়ে থাকতেন। বাসায় কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় স্থানীয় বখাটেরা সবসময় আশপাশে ঘোরাফেরা করত। আর রাত হলেই তারা নানারকম হয়রানি করত। তারা আরও বলেন, হঠাৎ পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্তে তারা চরম বিপাকে পড়ে গেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বখাটেরা মাদকাসক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. দেবাশীষ শর্মা যুগান্তরকে বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করি। প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, অভিযুক্তদের নাম-ঠিকানা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। নাম-ঠিকানা জানা গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সালাম বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই প্রক্টর ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথাও বলেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের বাসা ও মেসে অবস্থানকারী ইবি শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বলেছি।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বিষয়টি জানানোর সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইবির চার ছাত্রী মেসে হয়রানির শিকার

 ইবি প্রতিনিধি 
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেসে অবস্থান করা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চার ছাত্রী দফায় দফায় হয়রানির শিকার হয়েছেন। মধ্যরাত থেকে ভোররাত পর্যন্ত তাদের জানালার সামনে বখাটেরা অশ্লীল কথাবার্তা ও বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের শেখপাড়া বাজারে ভাড়া বাড়িতে (মেসে) এ ঘটনা ঘটে। ইবি অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও ভুক্তভোগীরা জানান, এ ঘটনায় তারা আতঙ্কিত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে সহপাঠী, শিক্ষক ও প্রক্টরিয়াল বডির সহায়তায় ঘটনাটি পুলিশকে অবহিত করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ামাত্র বখাটেরা পালিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীরা মেস ছেড়ে দেন এবং প্রক্টরের কাছে অভিযোগ করেন। মালামাল আবাসিক হলে রেখে প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় তারা বাড়ি ফিরে যান। এ ঘটনা জানাজানি হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইবি শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওয়াত এনে শাস্তির দাবি করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

ভুক্তভোগীরা জানান, তারা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থী। পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করায় কোনো উপায় না পেয়ে তারা একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে পড়াশুনা করছিলেন। তাদের সঙ্গে মেস মালিকের স্ত্রী ও এক মেয়ে থাকতেন। বাসায় কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় স্থানীয় বখাটেরা সবসময় আশপাশে ঘোরাফেরা করত। আর রাত হলেই তারা নানারকম হয়রানি করত। তারা আরও বলেন, হঠাৎ পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্তে তারা চরম বিপাকে পড়ে গেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বখাটেরা মাদকাসক্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. দেবাশীষ শর্মা যুগান্তরকে বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করি। প্রক্টর প্রফেসর ড. জাহাঙ্গীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, অভিযুক্তদের নাম-ঠিকানা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। নাম-ঠিকানা জানা গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ নিয়ে প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপাচার্য প্রফেসর ড. আবদুস সালাম বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই প্রক্টর ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কথাও বলেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের বাসা ও মেসে অবস্থানকারী ইবি শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বলেছি।

শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন যুগান্তরকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বিষয়টি জানানোর সঙ্গে সঙ্গে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন