৮ মাসে সাড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয়
jugantor
৮ মাসে সাড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয়
ফেব্রুয়ারিতে এসেছে ১৭৮ কোটি ডলার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রবাসী আয়ের গতি কিছুটা ধীর হয়ে পড়েছে। গত জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিও মাসে প্রবাসী আয় কমছে। ওই মাসে এসেছে ১৭৮ কোটি ডলার। আর জানুয়ারিতে আসে ১৯৬ কোটি ডলার। সে হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে প্রবাসী আয় প্রায় ৯ শতাংশ কমেছে। তবে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের চেয়ে এ মাসে প্রবাসী আয় সাড়ে ২২ শতাংশ বেড়েছে। সবমিলে চলতি অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রথম আট মাসে প্রবাসী আয় সাড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৩৩ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিপরীতে ২ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। চলতি অর্থবছরেও এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। এর ফলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের শুরু থেকে প্রতি মাসেই রেমিট্যান্স বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, নগদ প্রণোদনার আকর্ষণেই রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি ধারা বজায় রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এটি আগের মাস ডিসেম্বরের চেয়ে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ কম। গত ডিসেম্বরে আসে ২০৫ কোটি ৬ লাখ ডলার। নভেম্বরে রেমিট্যান্স আসে ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। অক্টোবরে আসে ২১০ কোটি ২১ লাখ ডলার। সেপ্টেম্বরে একক মাস হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। জুলাইতে একক মাস হিসেবে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে।

ওই মাসে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার।

সবমিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৬৬৮ কোটি ৭২ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ২৪৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। ফলে এ সময়ে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে ৪১৮ কোটি ৮৭ লাখ ডলার বা ৩৩ দশমিক ৫১ শতাংশ।

সদ্য বিদায়ী ২০২০ সালে রেমিট্যান্স আহরণে অনন্য রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ। বছরটিতে দেশে দুই হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ (২১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে কখনও এক বছরে বাংলাদেশে এত রেমিট্যান্স আসেনি। এটি আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ডলার বা ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

এদিকে রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবার ৪৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। গত বুধবার নতুন এই উচ্চতায় পৌঁছে রিজার্ভ।

৮ মাসে সাড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি প্রবাসী আয়

ফেব্রুয়ারিতে এসেছে ১৭৮ কোটি ডলার
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রবাসী আয়ের গতি কিছুটা ধীর হয়ে পড়েছে। গত জানুয়ারির পর ফেব্রুয়ারিও মাসে প্রবাসী আয় কমছে। ওই মাসে এসেছে ১৭৮ কোটি ডলার। আর জানুয়ারিতে আসে ১৯৬ কোটি ডলার। সে হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে প্রবাসী আয় প্রায় ৯ শতাংশ কমেছে। তবে গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের চেয়ে এ মাসে প্রবাসী আয় সাড়ে ২২ শতাংশ বেড়েছে। সবমিলে চলতি অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) প্রথম আট মাসে প্রবাসী আয় সাড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৩৩ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিপরীতে ২ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। চলতি অর্থবছরেও এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। এর ফলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের শুরু থেকে প্রতি মাসেই রেমিট্যান্স বাড়তে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, নগদ প্রণোদনার আকর্ষণেই রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতি ধারা বজায় রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। এটি আগের মাস ডিসেম্বরের চেয়ে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ কম। গত ডিসেম্বরে আসে ২০৫ কোটি ৬ লাখ ডলার। নভেম্বরে রেমিট্যান্স আসে ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। অক্টোবরে আসে ২১০ কোটি ২১ লাখ ডলার। সেপ্টেম্বরে একক মাস হিসাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১৫ কোটি ১০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। জুলাইতে একক মাস হিসেবে এ যাবতকালের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে।

ওই মাসে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার।

সবমিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৬৬৮ কোটি ৭২ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ২৪৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। ফলে এ সময়ে রেমিট্যান্স বেশি এসেছে ৪১৮ কোটি ৮৭ লাখ ডলার বা ৩৩ দশমিক ৫১ শতাংশ।

সদ্য বিদায়ী ২০২০ সালে রেমিট্যান্স আহরণে অনন্য রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ। বছরটিতে দেশে দুই হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ (২১ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে কখনও এক বছরে বাংলাদেশে এত রেমিট্যান্স আসেনি। এটি আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৩৪০ কোটি ৯৬ লাখ ডলার বা ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

এদিকে রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবার ৪৪ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে। গত বুধবার নতুন এই উচ্চতায় পৌঁছে রিজার্ভ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন