শ্রদ্ধা ভালোবাসায় লিলি চৌধুরীকে শেষ বিদায়
jugantor
শ্রদ্ধা ভালোবাসায় লিলি চৌধুরীকে শেষ বিদায়

  সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক  

০৩ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্রদ্ধা ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে নাট্যাভিনেত্রী ও শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর সহধর্মিণী লিলি চৌধুরীকে। মঙ্গলবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে তার প্রতি সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাদ জোহর বনানী কবরস্থানে ছেলে মিশুক মুনীরের কবরে তাকে দাফন করা হয়। সোমবার বিকালে বনানীর বাসভবনে মারা যান লিলি চৌধুরী (৯২)।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজনে নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার বলেন, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে যারা মঞ্চ নাটকের পথ প্রদর্শক তাদের অন্যতম লিলি চৌধুরী। আমরা যেন তার অবদানকে ভুলে না যাই।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ৫০ বছর আগে বিজয়ের মাসে মুনীর চৌধুরীকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি হানাদাররা। আর লিলি চৌধুরী চলে গেলেন স্বাধীনতার মাসে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত এই পরিবারের ভূমিকা ছিল। লিলি চৌধুরীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো পুরস্কার না দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন শাহরিয়ার কবির। তিনি এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার লিলি চৌধুরীকে দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, রাষ্ট্র ও জনগণ যখন অস্বস্তিকর সময় পার করছিল, তখন বাতিঘর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন লিলি চৌধুরীর মতো মানুষরা। মুনীর চৌধুরী ও লিলি চৌধুরীর কাছে জাতি কৃতজ্ঞ।

লিলি চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান অর্থনীতিবিদ এমএম আকাশ, নাট্যজন ফেরদৌসী মজুমদার, আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, উদীচীর সহসাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম, খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা প্রমুখ।

শ্রদ্ধা ভালোবাসায় লিলি চৌধুরীকে শেষ বিদায়

 সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক 
০৩ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্রদ্ধা ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে নাট্যাভিনেত্রী ও শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর সহধর্মিণী লিলি চৌধুরীকে। মঙ্গলবার রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে তার প্রতি সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাদ জোহর বনানী কবরস্থানে ছেলে মিশুক মুনীরের কবরে তাকে দাফন করা হয়। সোমবার বিকালে বনানীর বাসভবনে মারা যান লিলি চৌধুরী (৯২)।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজনে নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার বলেন, পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে যারা মঞ্চ নাটকের পথ প্রদর্শক তাদের অন্যতম লিলি চৌধুরী। আমরা যেন তার অবদানকে ভুলে না যাই।

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ৫০ বছর আগে বিজয়ের মাসে মুনীর চৌধুরীকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি হানাদাররা। আর লিলি চৌধুরী চলে গেলেন স্বাধীনতার মাসে। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত এই পরিবারের ভূমিকা ছিল। লিলি চৌধুরীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো পুরস্কার না দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন শাহরিয়ার কবির। তিনি এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার লিলি চৌধুরীকে দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, রাষ্ট্র ও জনগণ যখন অস্বস্তিকর সময় পার করছিল, তখন বাতিঘর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন লিলি চৌধুরীর মতো মানুষরা। মুনীর চৌধুরী ও লিলি চৌধুরীর কাছে জাতি কৃতজ্ঞ।

লিলি চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান অর্থনীতিবিদ এমএম আকাশ, নাট্যজন ফেরদৌসী মজুমদার, আবৃত্তিশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল, উদীচীর সহসাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম, খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রণয় সাহা প্রমুখ।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন