ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগে মামলা
jugantor
ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগে মামলা

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

০৬ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলায় একটি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূ স্বপ্না রানীর (২২) মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বামী পিন্টু বাবু শুক্রবার দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন উপজেলার বলগাড়ী গ্রামের আদর্শ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী ডা. নুর আলম ও হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আলী আকবর খান। মামলায় আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগে পিন্টু বাবু উল্লেখ করেন, ৪ মার্চ বিকালে স্ত্রীকে এ হাসপাতালে চেকআপ করাতে আসি। ডা. নুর আলম আলট্রাসনোগ্রাম করে দ্রুত সিজার করার জন্য বলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি ফরমে আমার স্বাক্ষর নেয়। আমি বলগাড়ী বাজারে মোবাইলে টাকা তুলতে যাই। ফিরে এসে স্ত্রীকে বসানো জায়গায় খুঁজে না পেয়ে যোগাযোগ করলে ডা, নুর আলম জানান, আমার স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত অপারেশন করা হয়েছে ও আমার কন্যাসন্তান হয়েছে। তবে আমার স্ত্রীর অবস্থা সংকটাপন্ন। তাই তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের একটি মাইক্রোবাসে আমার স্ত্রীকে উঠিয়ে দিয়ে রংপুরে যেতে বলে। আমার স্ত্রীর সঙ্গে একজন নার্স দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু তারা কোনো নার্স দেননি। সন্ধ্যায় রংপুরে যাওয়ার পথে ধাপেরহাটে মাইক্রোবাসটি নষ্ট হলে আমরা বিকল্প মাইক্রোবাসে রোগীকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক আমার স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগে মামলা

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
০৬ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলায় একটি ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় গৃহবধূ স্বপ্না রানীর (২২) মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বামী পিন্টু বাবু শুক্রবার দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন উপজেলার বলগাড়ী গ্রামের আদর্শ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্বত্বাধিকারী ডা. নুর আলম ও হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আলী আকবর খান। মামলায় আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগে পিন্টু বাবু উল্লেখ করেন, ৪ মার্চ বিকালে স্ত্রীকে এ হাসপাতালে চেকআপ করাতে আসি। ডা. নুর আলম আলট্রাসনোগ্রাম করে দ্রুত সিজার করার জন্য বলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ একটি ফরমে আমার স্বাক্ষর নেয়। আমি বলগাড়ী বাজারে মোবাইলে টাকা তুলতে যাই। ফিরে এসে স্ত্রীকে বসানো জায়গায় খুঁজে না পেয়ে যোগাযোগ করলে ডা, নুর আলম জানান, আমার স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত অপারেশন করা হয়েছে ও আমার কন্যাসন্তান হয়েছে। তবে আমার স্ত্রীর অবস্থা সংকটাপন্ন। তাই তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে হবে।

এ সময় হাসপাতালের একটি মাইক্রোবাসে আমার স্ত্রীকে উঠিয়ে দিয়ে রংপুরে যেতে বলে। আমার স্ত্রীর সঙ্গে একজন নার্স দেওয়ার জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু তারা কোনো নার্স দেননি। সন্ধ্যায় রংপুরে যাওয়ার পথে ধাপেরহাটে মাইক্রোবাসটি নষ্ট হলে আমরা বিকল্প মাইক্রোবাসে রোগীকে পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক আমার স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন