ব্যাংক কর্মকর্তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়
jugantor
চট্টগ্রামে প্রতারক চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার
ব্যাংক কর্মকর্তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৩ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতভর বাকলিয়া থানার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো- শহীদ আলম ওরফে লেদু (৩০), জাহাঙ্গীর আলম (৩০), গিয়াস উদ্দিন (২৯) ও রায়হান (২৮)। গ্রেফতার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। পুলিশ জানায়, একটি বেসরকারি ব্যাংকের হালিশহর শাখার সিনিয়র অফিসার শামীম হাসানকে পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তি অজ্ঞাত এক তরুণীর মোবাইল ফোন নম্বর দেয়। কয়েক দিন কথা বলার পর ওই তরুণীর সঙ্গে শামীমের প্রেমের সম্পর্ক হয়।

এক পর্যায়ে ৫ মার্চ বিকালে ওই তরুণী তাকে বাসায় যাওয়ার দাওয়াত দেয়। বাকলিয়া থানার রাহাত্তারপুল এলাকায় গিয়ে মেয়েটিকে শামীম ফোন করেন। এ সময় ওই তরুণী তাকে বাসায় নেওয়ার জন্য রায়হান নামে একজনকে পাঠাচ্ছে বলে জানায়। রাহাত্তারপুল চান্দাপুকুরস্থ বিসমিল্লাহ টাওয়ারের পেছনে খালি জায়গায় শামীমের সঙ্গে রায়হান দেখা করে। এ সময় রায়হানের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন প্রতারক ব্যাংক কর্মকর্তা শামীমকে ঘিরে ধরে এবং অজ্ঞাতনামা তরুণীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক করতে এসেছে বলে দাবি করে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। ওই তরুণীসহ তাকে পুলিশে সোপর্দ করারও হুমকি দেয়। এ সময় তার কাছে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয় চক্রটি। তার ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে কয়েকটি বিকাশ নম্বরে দুই লাখ টাকা পরিশোধ করে শামীম জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পান। পরে বাকলিয়া থানায় তিনি লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ ওই এলাকার আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার সত্যতা পায় এবং চারজন প্রতারককে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে একটি কাঠের বাটযুক্ত দেশীয় এলজি ও দুটি স্টিলের টিপ ছোরা উদ্ধার করা হয়। বাকলিয়া থানার ওসি রুহুল আমিন যুগান্তরকে জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে তিনি জানান। এ সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সঙ্গে কয়েকজন নারী সদস্য রয়েছে।

চট্টগ্রামে প্রতারক চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার

ব্যাংক কর্মকর্তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৩ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতভর বাকলিয়া থানার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো- শহীদ আলম ওরফে লেদু (৩০), জাহাঙ্গীর আলম (৩০), গিয়াস উদ্দিন (২৯) ও রায়হান (২৮)। গ্রেফতার ব্যক্তিরা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। পুলিশ জানায়, একটি বেসরকারি ব্যাংকের হালিশহর শাখার সিনিয়র অফিসার শামীম হাসানকে পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তি অজ্ঞাত এক তরুণীর মোবাইল ফোন নম্বর দেয়। কয়েক দিন কথা বলার পর ওই তরুণীর সঙ্গে শামীমের প্রেমের সম্পর্ক হয়।

এক পর্যায়ে ৫ মার্চ বিকালে ওই তরুণী তাকে বাসায় যাওয়ার দাওয়াত দেয়। বাকলিয়া থানার রাহাত্তারপুল এলাকায় গিয়ে মেয়েটিকে শামীম ফোন করেন। এ সময় ওই তরুণী তাকে বাসায় নেওয়ার জন্য রায়হান নামে একজনকে পাঠাচ্ছে বলে জানায়। রাহাত্তারপুল চান্দাপুকুরস্থ বিসমিল্লাহ টাওয়ারের পেছনে খালি জায়গায় শামীমের সঙ্গে রায়হান দেখা করে। এ সময় রায়হানের সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজন প্রতারক ব্যাংক কর্মকর্তা শামীমকে ঘিরে ধরে এবং অজ্ঞাতনামা তরুণীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক করতে এসেছে বলে দাবি করে এবং অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। ওই তরুণীসহ তাকে পুলিশে সোপর্দ করারও হুমকি দেয়। এ সময় তার কাছে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

টাকা না দিলে তাকে মেরে ফেলারও হুমকি দেয় চক্রটি। তার ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে কয়েকটি বিকাশ নম্বরে দুই লাখ টাকা পরিশোধ করে শামীম জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পান। পরে বাকলিয়া থানায় তিনি লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ ওই এলাকার আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে ঘটনার সত্যতা পায় এবং চারজন প্রতারককে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে একটি কাঠের বাটযুক্ত দেশীয় এলজি ও দুটি স্টিলের টিপ ছোরা উদ্ধার করা হয়। বাকলিয়া থানার ওসি রুহুল আমিন যুগান্তরকে জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে বলে তিনি জানান। এ সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সঙ্গে কয়েকজন নারী সদস্য রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন