কসবা স্বরূপকাঠি দিরাইয়ে সংঘর্ষে নিহত তিন
jugantor
কসবা স্বরূপকাঠি দিরাইয়ে সংঘর্ষে নিহত তিন

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৪ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পূর্বে সংঘটিত হত্যা মামলার জেরে দুপক্ষের লোকজনের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামে উভয়পক্ষের লোকেরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে এ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির দৈহারী গ্রামে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় সুকুমার মন্ডল (৬৪) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের নুরনগর গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষে শাহ মুল্লক (৪০) নামে একজন নিহত ও প্রায় অর্ধশত লোক আহত হয়েছেন। যুগান্তর ব্যুরো, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের খবর-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ঘটনার পর কসবা উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কসবা-আখাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ফায়েজ ভূঁইয়া (৫০) নিমবাড়ি গ্রামের মৃত লতিফ ভূঁইয়ার ছেলে। পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ২০১৭ সালে পূর্বশত্রুতার জেরে নিমবাড়ি গ্রামের পান্ডু গোষ্ঠী ও কাবিলা গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে পান্ডু গোষ্ঠীর এক ব্যক্তি নিহত হয়েছিলেন। এরপর কাবিলা গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। এর জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত ফয়েজ মিয়া ও রিমন নামে দুজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) : সুকুমার মন্ডলের মেয়ে সুমনা মন্ডল জানান, তার বাবা নিজেদের জমিতে মাটি কাটতে গেলে প্রতিপক্ষ মনোরঞ্জন হালদার ও তার ছেলে মনোতোষ হালদারের সঙ্গে ঝগড়া বাধে। একপর্যায়ে মনোরঞ্জন হালদার ও তার ছেলের হামলায় সুকুমার মন্ডল গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত সুকুমারকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ওই গ্রামের ইউপি সদস্য কাঞ্চিলাল বলেন, হামলার ঘটনা ঘটেনি, দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি হয়েছে। সুকুমারের ওপেন হার্ট সার্জারি করা ছিল বলে চিৎকার দিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন বলেন, তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দিরাই (সুনামগঞ্জ) : শাহ মুল্লক নুরনগর গ্রামের আবদুস সালামের ছেলে। পিয়ান নদীর উত্তর পাড়ে শনিবার সকাল ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জমশেদ, তার ছেলে নাঈম ও মুনসুরকে আটক করেছে। স্থানীয়রা জানান, জায়গাসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নুরনগর গ্রামের সামছুল ইসলাম ও ফিরোজ আলী, আলমগীর মাস্টার ও জমশেদ এ দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

কসবা স্বরূপকাঠি দিরাইয়ে সংঘর্ষে নিহত তিন

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৪ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় পূর্বে সংঘটিত হত্যা মামলার জেরে দুপক্ষের লোকজনের সংঘর্ষে এক বৃদ্ধ নিহত ও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামে উভয়পক্ষের লোকেরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে এ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। পিরোজপুরের স্বরূপকাঠির দৈহারী গ্রামে জমিজমা বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় সুকুমার মন্ডল (৬৪) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকালে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের নুরনগর গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষে শাহ মুল্লক (৪০) নামে একজন নিহত ও প্রায় অর্ধশত লোক আহত হয়েছেন। যুগান্তর ব্যুরো, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের খবর-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ঘটনার পর কসবা উপজেলার নিমবাড়ি গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কসবা-আখাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাহিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ফায়েজ ভূঁইয়া (৫০) নিমবাড়ি গ্রামের মৃত লতিফ ভূঁইয়ার ছেলে। পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ২০১৭ সালে পূর্বশত্রুতার জেরে নিমবাড়ি গ্রামের পান্ডু গোষ্ঠী ও কাবিলা গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে পান্ডু গোষ্ঠীর এক ব্যক্তি নিহত হয়েছিলেন। এরপর কাবিলা গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। এর জের ধরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত ফয়েজ মিয়া ও রিমন নামে দুজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) : সুকুমার মন্ডলের মেয়ে সুমনা মন্ডল জানান, তার বাবা নিজেদের জমিতে মাটি কাটতে গেলে প্রতিপক্ষ মনোরঞ্জন হালদার ও তার ছেলে মনোতোষ হালদারের সঙ্গে ঝগড়া বাধে। একপর্যায়ে মনোরঞ্জন হালদার ও তার ছেলের হামলায় সুকুমার মন্ডল গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা গুরুতর আহত সুকুমারকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ওই গ্রামের ইউপি সদস্য কাঞ্চিলাল বলেন, হামলার ঘটনা ঘটেনি, দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি হয়েছে। সুকুমারের ওপেন হার্ট সার্জারি করা ছিল বলে চিৎকার দিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওসি আবির মোহাম্মদ হোসেন বলেন, তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দিরাই (সুনামগঞ্জ) : শাহ মুল্লক নুরনগর গ্রামের আবদুস সালামের ছেলে। পিয়ান নদীর উত্তর পাড়ে শনিবার সকাল ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে জমশেদ, তার ছেলে নাঈম ও মুনসুরকে আটক করেছে। স্থানীয়রা জানান, জায়গাসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নুরনগর গ্রামের সামছুল ইসলাম ও ফিরোজ আলী, আলমগীর মাস্টার ও জমশেদ এ দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন