ঈশ্বরগঞ্জে গৃহবধূকে প্রকাশ্যে মারধর, গ্রেফতার ১
jugantor
ঈশ্বরগঞ্জে গৃহবধূকে প্রকাশ্যে মারধর, গ্রেফতার ১

  ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৩ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈশ্বরগঞ্জে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করায় ফের তাকে প্রকাশ্যে পেটানো হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ ইয়াসমিন আক্তার উপজেলার বালিহাটা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী শহীদুল ইসলামের মেয়ে ও গৌরীপুর সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।

২০১৮ সালে ফুপাতো ভাই পাভেলের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে হয় তার। পাভেলের বাড়ি উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের নওপাড়ায়। তিনি মাছ ব্যবসায়ী। বিয়ের পর ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন পাভেল। এ নিয়ে ইয়াসমিনের ওপর শুরু হয় নির্যাতন। জোরপূর্বক দুইবার তার গর্ভপাতও ঘটানো হয়। নির্যাতন সইতে না পেরে ইয়াসমিন গত বছরের ২৬ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ওই মামলায় ১ মার্চ স্বামী পাভেলকে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ইয়াসমিনের চাচা আনোয়ার ইসলাম মামলা তুলে নিতে চাপ দেন। ১০ মার্চ ইয়াসমিনকে তার চাচা, চাচি ও চাচাতো বোন মিলে পেটান। এক যুবক ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। পরে নির্যাতিতার ভাই মাহবুব আলম ২২ মার্চ ঈশ্বরগঞ্জ থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

ঈশ্বরগঞ্জে গৃহবধূকে প্রকাশ্যে মারধর, গ্রেফতার ১

 ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৩ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঈশ্বরগঞ্জে যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করায় ফের তাকে প্রকাশ্যে পেটানো হয়েছে। এ ঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ ইয়াসমিন আক্তার উপজেলার বালিহাটা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী শহীদুল ইসলামের মেয়ে ও গৌরীপুর সরকারি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।

২০১৮ সালে ফুপাতো ভাই পাভেলের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে হয় তার। পাভেলের বাড়ি উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের নওপাড়ায়। তিনি মাছ ব্যবসায়ী। বিয়ের পর ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন পাভেল। এ নিয়ে ইয়াসমিনের ওপর শুরু হয় নির্যাতন। জোরপূর্বক দুইবার তার গর্ভপাতও ঘটানো হয়। নির্যাতন সইতে না পেরে ইয়াসমিন গত বছরের ২৬ নভেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

ওই মামলায় ১ মার্চ স্বামী পাভেলকে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ইয়াসমিনের চাচা আনোয়ার ইসলাম মামলা তুলে নিতে চাপ দেন। ১০ মার্চ ইয়াসমিনকে তার চাচা, চাচি ও চাচাতো বোন মিলে পেটান। এক যুবক ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। পরে নির্যাতিতার ভাই মাহবুব আলম ২২ মার্চ ঈশ্বরগঞ্জ থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন