সহকর্মীর গুলিতে কমান্ডার বিশ্বমিত্র চাকমা নিহত
jugantor
বাঘাইছড়ি জেএসএসে বিরোধ
সহকর্মীর গুলিতে কমান্ডার বিশ্বমিত্র চাকমা নিহত

  রাঙামাটি প্রতিনিধি  

০১ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাঘাইছড়ি উপজেলায় জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সংস্কারবাদী (এমএন লারমা) গ্রুপের সামরিক শাখার কোম্পানি কমান্ডার বিশ্বমিত্র চাকমা ওরফে যুদ্ধবাবু (৩২) সহকর্মীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে উপজেলার বাবুপাড়ায় সহকর্মী সুজন চাকমা অতর্কিত গুলি করে তাকে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকাজুড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, জেএসএসের সামরিক গ্রুপের কোম্পানি কমান্ডার বিশ্বমিত্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন সুজন চাকমা। তাকে অতর্কিত হত্যার পর সুজন একটি এসএমজি (সাব মেশিনগান), একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি বিদেশি পিস্তল ও ২৫৭ রাউন্ড গুলি নিয়ে পালিয়ে গেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। জেএসএস (এমএন লারমা) গ্রুপের প্রথম সারির নেতা ছিলেন বিশ্বমিত্র।

জেএসএস (এমএন লারমা) গ্রুপের বাঘাইছড়ি উপজেলার সভাপতি জ্ঞানজীব চাকমা বলেন, ঘাতক সুজন এতদিন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসের গুপ্তচর হিসাবে আমাদের দলে কাজ করছিলেন। তবে তা জানা ছিল না। বিশ্বমিত্রকে হত্যার পর তা স্পষ্ট হয়েছে। সন্তু লারমা গ্রুপে যোগ দিতে সুজন পালিয়েছে। একটি সূত্র জানায়, চার বছর আগে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস থেকে অস্ত্র ও গুলি নিয়ে বিশ্বমিত্র পালিয়ে এমএন লারমা গ্রুপে যোগ দেন। এরপর তিনি বাবুপাড়া সামরিক শাখার কোম্পানি কমান্ডারের দায়িত্ব পান।

বাঘাইছড়ি জেএসএসে বিরোধ

সহকর্মীর গুলিতে কমান্ডার বিশ্বমিত্র চাকমা নিহত

 রাঙামাটি প্রতিনিধি 
০১ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাঘাইছড়ি উপজেলায় জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সংস্কারবাদী (এমএন লারমা) গ্রুপের সামরিক শাখার কোম্পানি কমান্ডার বিশ্বমিত্র চাকমা ওরফে যুদ্ধবাবু (৩২) সহকর্মীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে উপজেলার বাবুপাড়ায় সহকর্মী সুজন চাকমা অতর্কিত গুলি করে তাকে হত্যা করে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। এলাকাজুড়ে নিরাপত্তাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, জেএসএসের সামরিক গ্রুপের কোম্পানি কমান্ডার বিশ্বমিত্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন সুজন চাকমা। তাকে অতর্কিত হত্যার পর সুজন একটি এসএমজি (সাব মেশিনগান), একটি একে-৪৭ রাইফেল, একটি বিদেশি পিস্তল ও ২৫৭ রাউন্ড গুলি নিয়ে পালিয়ে গেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। জেএসএস (এমএন লারমা) গ্রুপের প্রথম সারির নেতা ছিলেন বিশ্বমিত্র।

জেএসএস (এমএন লারমা) গ্রুপের বাঘাইছড়ি উপজেলার সভাপতি জ্ঞানজীব চাকমা বলেন, ঘাতক সুজন এতদিন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসের গুপ্তচর হিসাবে আমাদের দলে কাজ করছিলেন। তবে তা জানা ছিল না। বিশ্বমিত্রকে হত্যার পর তা স্পষ্ট হয়েছে। সন্তু লারমা গ্রুপে যোগ দিতে সুজন পালিয়েছে। একটি সূত্র জানায়, চার বছর আগে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএস থেকে অস্ত্র ও গুলি নিয়ে বিশ্বমিত্র পালিয়ে এমএন লারমা গ্রুপে যোগ দেন। এরপর তিনি বাবুপাড়া সামরিক শাখার কোম্পানি কমান্ডারের দায়িত্ব পান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন