শরণখোলায় ভাইকে ফাঁসাতে মেয়েকে পুকুরে ফেলে হত্যা
jugantor
শরণখোলায় ভাইকে ফাঁসাতে মেয়েকে পুকুরে ফেলে হত্যা

  শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  

০৬ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলায় চার মাসের কন্যাশিশু নূপুরকে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছেন পাষণ্ড বাবা মজিদ মোল্লা। উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ তাফালবাড়ী গ্রামে রোববার সন্ধ্যায় নৃশংস এ ঘটনা ঘটে। বড় ভাইকে ফাঁসাতে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘাতক মজিদকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মারুফা বেগম মেয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৫ কাঠা শরিকি সম্পত্তি নিয়ে বড় ভাই রশিদ মোল্লার সঙ্গে বিরোধ চলছে মজিদের। সেই বিরোধের সূত্র ধরে নিজের অবুঝ সন্তানকে বড় ভাইয়ের পুকুরে ফেলে দিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন তিনি।

মামলার বাদী মারুফা বেগম বলেন, ৩০ মার্চ তার স্বামী মজিদ ও ভাসুর রশিদের মধ্যে জমি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর থেকে সে (স্বামী) আনমনা হয়ে চলাফেরা করত। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় মাটিকাটার কাজ শেষে বাড়িতে এসে ছেলে নয়নকে সঙ্গে দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাকে স্থানীয় তাফালবাড়ি বাজারে ওষুধ কিনতে পাঠায়। এ সময় মেঝ মেয়ে নবীছা ও চার মাসের নূপুরকে স্বামীর কাছে রেখে যাই। সেই ফাঁকে মেঝ মেয়েকে এক প্রতিবেশীর বাসায় রেখে নূপুরকে ভাসুর রশিদ মোল্লার পুকুরে ফেলে দিয়ে আবার বাড়ি চলে আসে সে।

তিনি জানান, ওষুধ নিয়ে এসে নূপুরকে না পেয়ে জানতে চাইলে তার স্বামী অসংলগ্ন কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে বলেন, নূপুরকে নিয়ে বড়ভাই রশিদের বাড়িতে যাওয়ার পথে অন্ধকারে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মেয়েটি পুকুরে পড়ে যায়। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে দৌড়ে গিয়ে সেই পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মেয়েকে উদ্ধার করে শরণখোলা হাসপাতালে নিলে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে রশিদ মোল্লা বলেন, আমাকে ফাঁসাতেই নিজের মেয়েকে আমার পুকুরে ফেলে রেখে যায় মজিদ। কিন্তু পুলিশ তার কথা শুনে আসল ঘটনা বুঝতে পারে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুর রহমান বলেন, মজিদকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে মেয়ে নূপুরকে পুকুরে ফেলে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শরণখোলায় ভাইকে ফাঁসাতে মেয়েকে পুকুরে ফেলে হত্যা

 শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 
০৬ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাগেরহাটের শরণখোলায় চার মাসের কন্যাশিশু নূপুরকে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছেন পাষণ্ড বাবা মজিদ মোল্লা। উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ তাফালবাড়ী গ্রামে রোববার সন্ধ্যায় নৃশংস এ ঘটনা ঘটে। বড় ভাইকে ফাঁসাতে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘাতক মজিদকে আটক করেছে। এ ঘটনায় মারুফা বেগম মেয়ে হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৫ কাঠা শরিকি সম্পত্তি নিয়ে বড় ভাই রশিদ মোল্লার সঙ্গে বিরোধ চলছে মজিদের। সেই বিরোধের সূত্র ধরে নিজের অবুঝ সন্তানকে বড় ভাইয়ের পুকুরে ফেলে দিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেন তিনি।

মামলার বাদী মারুফা বেগম বলেন, ৩০ মার্চ তার স্বামী মজিদ ও ভাসুর রশিদের মধ্যে জমি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর থেকে সে (স্বামী) আনমনা হয়ে চলাফেরা করত। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় মাটিকাটার কাজ শেষে বাড়িতে এসে ছেলে নয়নকে সঙ্গে দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাকে স্থানীয় তাফালবাড়ি বাজারে ওষুধ কিনতে পাঠায়। এ সময় মেঝ মেয়ে নবীছা ও চার মাসের নূপুরকে স্বামীর কাছে রেখে যাই। সেই ফাঁকে মেঝ মেয়েকে এক প্রতিবেশীর বাসায় রেখে নূপুরকে ভাসুর রশিদ মোল্লার পুকুরে ফেলে দিয়ে আবার বাড়ি চলে আসে সে।

তিনি জানান, ওষুধ নিয়ে এসে নূপুরকে না পেয়ে জানতে চাইলে তার স্বামী অসংলগ্ন কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে বলেন, নূপুরকে নিয়ে বড়ভাই রশিদের বাড়িতে যাওয়ার পথে অন্ধকারে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মেয়েটি পুকুরে পড়ে যায়। এ কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে দৌড়ে গিয়ে সেই পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মেয়েকে উদ্ধার করে শরণখোলা হাসপাতালে নিলে ডাক্তাররা মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে রশিদ মোল্লা বলেন, আমাকে ফাঁসাতেই নিজের মেয়েকে আমার পুকুরে ফেলে রেখে যায় মজিদ। কিন্তু পুলিশ তার কথা শুনে আসল ঘটনা বুঝতে পারে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুর রহমান বলেন, মজিদকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে মেয়ে নূপুরকে পুকুরে ফেলে হত্যার কথা স্বীকার করেন তিনি। শিশুটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন