‘লকডাউনে’ চসিকের জরুরি সেবা চালু থাকবে : মেয়র
jugantor
‘লকডাউনে’ চসিকের জরুরি সেবা চালু থাকবে : মেয়র

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লকডাউন চলাকালে সিটি করপোরেশনের জরুরি সেবা চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। জরুরি সেবার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা, আলোকায়ন, রাস্তার সংস্কার কাজ চলমান আছে এবং সিটি করপোরেশনের অধীন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসাসেবাও চালু আছে।

তিনি বৃহস্পতিবার ক্রাশ প্রোগ্রামের অংশ হিসাবে নগরীর পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের সামাদপুরখাল ও লালখাল থেকে জমাট বাঁধা আবর্জনা, মাটি অবমুক্তকরণ এবং পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম চলাকালে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। করোনা সচেতনতামূলক প্রচারণাও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। মেয়র বলেন, নগরীর যে অংশে বর্ষায় জলজট সৃষ্টি হয় সেখানকার নালা-নর্দমা-খালের ৫০ শতাংশ যদি পানি প্রবাহপথ বাধামুক্ত করা যায় তাহলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা সমস্যা প্রকট হতে পারে না। লকডাউনে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা বাধ্যতামূলক। আমরা যদি নিজেরা সর্তক না থাকি তাহলে সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বাড়বে।

মেয়র আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিতে ৫০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার চালু করেছে। এতে অক্সিজেনসহ সব ধরনের সুবিধা রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি করোনা সচেতনতায় নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের স্ব-স্ব ওয়ার্ডে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, বিনামূল্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সিদ্দিক, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী, পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব শর্মা প্রমুখ।

‘লকডাউনে’ চসিকের জরুরি সেবা চালু থাকবে : মেয়র

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

লকডাউন চলাকালে সিটি করপোরেশনের জরুরি সেবা চালু থাকবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী। জরুরি সেবার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা, আলোকায়ন, রাস্তার সংস্কার কাজ চলমান আছে এবং সিটি করপোরেশনের অধীন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসাসেবাও চালু আছে।

তিনি বৃহস্পতিবার ক্রাশ প্রোগ্রামের অংশ হিসাবে নগরীর পাঁচলাইশ ওয়ার্ডের সামাদপুরখাল ও লালখাল থেকে জমাট বাঁধা আবর্জনা, মাটি অবমুক্তকরণ এবং পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম চলাকালে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন। করোনা সচেতনতামূলক প্রচারণাও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। মেয়র বলেন, নগরীর যে অংশে বর্ষায় জলজট সৃষ্টি হয় সেখানকার নালা-নর্দমা-খালের ৫০ শতাংশ যদি পানি প্রবাহপথ বাধামুক্ত করা যায় তাহলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা সমস্যা প্রকট হতে পারে না। লকডাউনে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা বাধ্যতামূলক। আমরা যদি নিজেরা সর্তক না থাকি তাহলে সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বাড়বে।

মেয়র আরও বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা নিশ্চিতে ৫০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার চালু করেছে। এতে অক্সিজেনসহ সব ধরনের সুবিধা রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও অন্যান্য জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি করোনা সচেতনতায় নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের স্ব-স্ব ওয়ার্ডে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, বিনামূল্যে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সিদ্দিক, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মোর্শেদুল আলম চৌধুরী, পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব শর্মা প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন