পীরগাছায় যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে নির্যাতন
jugantor
পীরগাছায় যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে নির্যাতন

  রংপুর ব্যুরো  

০৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরের পীরগাছায় যৌতুকের জন্য মাদকাসক্ত স্বামী ও শাশুড়ির অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দুই সন্তানের মা আয়না বেগম। তাকে পীরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পীরগাছা থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়। এর আগেও একাধিকবার অসহায় ওই গৃহবধূর ওপর নির্যাতন করেন তার স্বামী আসাদুল ইসলাম ও শাশুড়ি কুলসুম বেগম।

থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পারুল ইউনিয়নের দেউতি নাগদাহ গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলাম। ২০০৯ সালে তার সঙ্গে আয়না বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আসাদুল যৌতুক দাবি করে আসছিল। তাই মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে আয়না বেগমের মা কাজলী বেগম গ্রামে ভিক্ষাবৃত্তি করে আসাদুলকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র দেন। কিন্তু এতেও মন ভরেনি তার। আরও টাকার জন্য কারণে-অকারণে সে নির্যাতন করতে থাকে স্ত্রীর ওপর।

সর্বশেষ ৫ এপ্রিল বিকালে শাশুড়ি কুলসুম বেগম ও স্বামী আসাদুল এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আয়না বেগমের কাছে। স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলেন আসাদুল। এতে অস্বীকৃতি জানালে শাশুড়ি ও স্বামী মিলে আয়না বেগমের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। পরে প্রতিবেশীরা আহত আয়না বেগমকে উদ্ধার করে পীরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ আয়না বেগম বলেন, আমার মা ভিক্ষাবৃত্তি করেন। এক ভাই অর্ধ পাগল। কী করে আরও এক লাখ টাকা যৌতুক দেব। আমার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

পীরগাছায় যৌতুকের জন্য গৃহবধূকে নির্যাতন

 রংপুর ব্যুরো 
০৯ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরের পীরগাছায় যৌতুকের জন্য মাদকাসক্ত স্বামী ও শাশুড়ির অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন দুই সন্তানের মা আয়না বেগম। তাকে পীরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পীরগাছা থানায় একটি অভিযোগ দেওয়া হয়। এর আগেও একাধিকবার অসহায় ওই গৃহবধূর ওপর নির্যাতন করেন তার স্বামী আসাদুল ইসলাম ও শাশুড়ি কুলসুম বেগম।

থানায় অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পারুল ইউনিয়নের দেউতি নাগদাহ গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলাম। ২০০৯ সালে তার সঙ্গে আয়না বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আসাদুল যৌতুক দাবি করে আসছিল। তাই মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে আয়না বেগমের মা কাজলী বেগম গ্রামে ভিক্ষাবৃত্তি করে আসাদুলকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও আসবাবপত্র দেন। কিন্তু এতেও মন ভরেনি তার। আরও টাকার জন্য কারণে-অকারণে সে নির্যাতন করতে থাকে স্ত্রীর ওপর।

সর্বশেষ ৫ এপ্রিল বিকালে শাশুড়ি কুলসুম বেগম ও স্বামী আসাদুল এক লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে আয়না বেগমের কাছে। স্ত্রীকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলেন আসাদুল। এতে অস্বীকৃতি জানালে শাশুড়ি ও স্বামী মিলে আয়না বেগমের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। পরে প্রতিবেশীরা আহত আয়না বেগমকে উদ্ধার করে পীরগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ আয়না বেগম বলেন, আমার মা ভিক্ষাবৃত্তি করেন। এক ভাই অর্ধ পাগল। কী করে আরও এক লাখ টাকা যৌতুক দেব। আমার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন