চট্টগ্রামের ৩ লাখ পরিবার পাবে নগদ অর্থ সহায়তা
jugantor
রমজান ও ঈদুল ফিতর
চট্টগ্রামের ৩ লাখ পরিবার পাবে নগদ অর্থ সহায়তা

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১২ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে রমজান ও ঈদুল ফিতরে তিন লাখ পরিবার সরকারের নগদ অর্থ সহায়তা পাবে। সহায়তাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্র জানায়, দুই ধাপে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রমজানে এক লাখ ৪০ হাজার ৫০০ পরিবারকে পাঁচ কোটি ১২ লাখ টাকা দেওয়া হবে। প্রতি পরিবার পাবে নগদ ৫০০ টাকা। আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে টাকা বিতরণ করা হবে। অপর দিকে ঈদের আগে এক লাখ ৮৩ হাজার ৩১টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে আট কোটি ২৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। প্রতি পরিবার পাবে সাড়ে ৪০০ টাকা করে।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সজীব কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘চট্টগ্রামে ১৫টি উপজেলা ও পৌরসভায় নগদ এ সহায়তা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। তালিকা হাতে পেলে অর্থ বিতরণ শুরু হবে।’

এদিকে গত এক সপ্তাহের লকডাউনে অনেক শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বুধবার থেকে আসছে আরও এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। এর মধ্যে কর্মহীন মানুষদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ সুবিধা না থাকায় নিম্ন আয়ের লোকজন চরম কষ্টে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে হোটেল-রেস্তোরাঁয় কর্মরত কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। শুধু তাই নয়, লকডাউনে বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ উন্নয়ন কাজ। এই কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাজার-হাজার শ্রমিকও এখন বেকার। গেল বছর লকডাউনে সাধারণ মানুষ যেভাবে একে অন্যের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এবার তা দেখা যাচ্ছে না। সরকারিভাবেও নেই কর্মহীনদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা। এ কারণে এবার চট্টগ্রামে কর্মহীন পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে পড়ছে।

রমজান ও ঈদুল ফিতর

চট্টগ্রামের ৩ লাখ পরিবার পাবে নগদ অর্থ সহায়তা

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১২ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামে রমজান ও ঈদুল ফিতরে তিন লাখ পরিবার সরকারের নগদ অর্থ সহায়তা পাবে। সহায়তাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্র জানায়, দুই ধাপে ১৩ কোটি ৪৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রমজানে এক লাখ ৪০ হাজার ৫০০ পরিবারকে পাঁচ কোটি ১২ লাখ টাকা দেওয়া হবে। প্রতি পরিবার পাবে নগদ ৫০০ টাকা। আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে টাকা বিতরণ করা হবে। অপর দিকে ঈদের আগে এক লাখ ৮৩ হাজার ৩১টি পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হবে আট কোটি ২৩ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। প্রতি পরিবার পাবে সাড়ে ৪০০ টাকা করে।

চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সজীব কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘চট্টগ্রামে ১৫টি উপজেলা ও পৌরসভায় নগদ এ সহায়তা দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। তালিকা হাতে পেলে অর্থ বিতরণ শুরু হবে।’

এদিকে গত এক সপ্তাহের লকডাউনে অনেক শ্রমজীবী মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বুধবার থেকে আসছে আরও এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন। এর মধ্যে কর্মহীন মানুষদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ সুবিধা না থাকায় নিম্ন আয়ের লোকজন চরম কষ্টে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, চট্টগ্রামে ইতোমধ্যে হোটেল-রেস্তোরাঁয় কর্মরত কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। শুধু তাই নয়, লকডাউনে বন্ধ রয়েছে অধিকাংশ উন্নয়ন কাজ। এই কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাজার-হাজার শ্রমিকও এখন বেকার। গেল বছর লকডাউনে সাধারণ মানুষ যেভাবে একে অন্যের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এবার তা দেখা যাচ্ছে না। সরকারিভাবেও নেই কর্মহীনদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা। এ কারণে এবার চট্টগ্রামে কর্মহীন পরিবারগুলো চরম আর্থিক সংকটে পড়ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন