ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার মাদ্রাসা শিক্ষকের
jugantor
ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার মাদ্রাসা শিক্ষকের

  কিশোরগঞ্জ ব্যুরো  

১৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গভীর রাতে ঘুম থেকে তুলে ১১ বছর বয়সি ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মুফতি মাওলানা ইয়াকুব আলী (৩৫)। তিনি জেলার কুলিয়ারচর পৌর সদরের বড়খারচর আদর্শ নুরানি ও হাফিজয়া মাদ্রাসার মুহতামিম।

ইয়াকুব আলীকে তাড়াইল উপজেলার সেকান্দর নগর থেকে রোববার গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ। একই দিন সন্ধ্যায় তিনি কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে ইয়াকুবকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

মাওলানা ইয়াকুব আলী ১ এপ্রিল রাত আনুমানিক ২টার দিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে তার কক্ষে নিয়ে ১১ বছর বয়সি আবাসিক শিশু ছাত্রের সঙ্গে জোরপূর্বক দুষ্কর্মে লিপ্ত হন। এ দুষ্কর্মের ঘটনার কথা কাউকে না বলার জন্য কুরআন শরিফ ধরিয়ে শিশুকে শপথ নিতে বাধ্য করেন। ঘটনার পরের দিন পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাড়িতে এসে ওই শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং আর মাদ্রাসায় যেতে চাচ্ছিল না। অনেক বকাবকি ও শাসনের পর শিশুটি মা-বাবা এবং মাদ্রাসা কমিটির সভাপতির কাছে নির্যাতনের কথা খুলে বলে। এরপরই ৭ এপ্রিল শিশুটির বাবা মাদ্রাসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

কুলিয়ারচর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ হাসান সারওয়ার মহসিন বলেন, যতদূর জেনেছি মাদ্রাসা শিক্ষক মুফতি ইয়াকুব এখানকার হেফাজতে ইসলামের একজন সক্রিয় সংগঠক। লেবাসধারী মাওলানা ইয়াকুব আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা মহিলা পরিষদ এক বিবৃতিতে ইয়াকুব আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।

ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার মাদ্রাসা শিক্ষকের

 কিশোরগঞ্জ ব্যুরো 
১৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গভীর রাতে ঘুম থেকে তুলে ১১ বছর বয়সি ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মুফতি মাওলানা ইয়াকুব আলী (৩৫)। তিনি জেলার কুলিয়ারচর পৌর সদরের বড়খারচর আদর্শ নুরানি ও হাফিজয়া মাদ্রাসার মুহতামিম।

ইয়াকুব আলীকে তাড়াইল উপজেলার সেকান্দর নগর থেকে রোববার গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ। একই দিন সন্ধ্যায় তিনি কিশোরগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে ইয়াকুবকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

মাওলানা ইয়াকুব আলী ১ এপ্রিল রাত আনুমানিক ২টার দিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে তার কক্ষে নিয়ে ১১ বছর বয়সি আবাসিক শিশু ছাত্রের সঙ্গে জোরপূর্বক দুষ্কর্মে লিপ্ত হন। এ দুষ্কর্মের ঘটনার কথা কাউকে না বলার জন্য কুরআন শরিফ ধরিয়ে শিশুকে শপথ নিতে বাধ্য করেন। ঘটনার পরের দিন পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাড়িতে এসে ওই শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং আর মাদ্রাসায় যেতে চাচ্ছিল না। অনেক বকাবকি ও শাসনের পর শিশুটি মা-বাবা এবং মাদ্রাসা কমিটির সভাপতির কাছে নির্যাতনের কথা খুলে বলে। এরপরই ৭ এপ্রিল শিশুটির বাবা মাদ্রাসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে কুলিয়ারচর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

কুলিয়ারচর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ হাসান সারওয়ার মহসিন বলেন, যতদূর জেনেছি মাদ্রাসা শিক্ষক মুফতি ইয়াকুব এখানকার হেফাজতে ইসলামের একজন সক্রিয় সংগঠক। লেবাসধারী মাওলানা ইয়াকুব আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা মহিলা পরিষদ এক বিবৃতিতে ইয়াকুব আলীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন