ছাগলে পাটগাছ খাওয়ার বিরোধে গলা টিপে হত্যা
jugantor
ছাগলে পাটগাছ খাওয়ার বিরোধে গলা টিপে হত্যা

  রংপুর ব্যুরো  

১৮ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরের গঙ্গাচড়ার ঠাকুরপাড়ায় ছাগলে পাটগাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ নিবারণচন্দ্র রায়কে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবার সন্ধ্যায় লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গঙ্গাচড়া থানার অফিসার সুশান্ত কুমার জানান, ওই গ্রামে আকিজ গ্রুপের জমি দেখাশোনা করেন কান্তেশ্বর চন্দ্রের ছেলে কৃষ্ণচন্দ্র রায়। তিনি ওই জমিতে পাটসহ বিভিন্ন সবজির আবাদ করেন। ওই দিন জুমার নামাজের আগে তার পাটগাছ খেয়ে ফেলে পাশের বাড়ির নিবারণচন্দ্রের ছাগল। এ নিয়ে দুই পরিবারে প্রচণ্ড কথা কাটাকাটি হয়। নামাজের পর নিবারণ ও তার ছেলে সন্তোষ রায় পাশের দোকানে গেলে কৃঞ্চচন্দ্র ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীর সঙ্গে আবার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় কৃষ্ণচন্দ্র ছুরি দিয়ে সন্তোষকে আঘাত করলে বাবা নিবারণ তাতে বাধা দেন। কৃষ্ণ ক্ষুব্ধ হয়ে নিবারণের গলাটিপে ধরলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।

ছাগলে পাটগাছ খাওয়ার বিরোধে গলা টিপে হত্যা

 রংপুর ব্যুরো 
১৮ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রংপুরের গঙ্গাচড়ার ঠাকুরপাড়ায় ছাগলে পাটগাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধ নিবারণচন্দ্র রায়কে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবার সন্ধ্যায় লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

গঙ্গাচড়া থানার অফিসার সুশান্ত কুমার জানান, ওই গ্রামে আকিজ গ্রুপের জমি দেখাশোনা করেন কান্তেশ্বর চন্দ্রের ছেলে কৃষ্ণচন্দ্র রায়। তিনি ওই জমিতে পাটসহ বিভিন্ন সবজির আবাদ করেন। ওই দিন জুমার নামাজের আগে তার পাটগাছ খেয়ে ফেলে পাশের বাড়ির নিবারণচন্দ্রের ছাগল। এ নিয়ে দুই পরিবারে প্রচণ্ড কথা কাটাকাটি হয়। নামাজের পর নিবারণ ও তার ছেলে সন্তোষ রায় পাশের দোকানে গেলে কৃঞ্চচন্দ্র ও তার স্ত্রী কল্পনা রানীর সঙ্গে আবার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এ সময় কৃষ্ণচন্দ্র ছুরি দিয়ে সন্তোষকে আঘাত করলে বাবা নিবারণ তাতে বাধা দেন। কৃষ্ণ ক্ষুব্ধ হয়ে নিবারণের গলাটিপে ধরলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান।

পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন