তিন পাথরখেকোর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার নেই
jugantor
সিলেটে শ্রমিকের মৃত্যু
তিন পাথরখেকোর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার নেই

  সিলেট ব্যুরো  

১৮ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ বাঙ্কার এলাকায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের সময় ঝড়ের কবলে পড়ে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাসেল মিয়া (৩২), শাহাবুদ্দিন (৩৫) ও যুবলীগ নেতা কেফায়েত উল্লাসহ (২৮) অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়। নিহত শ্রমিক জহিরের মা রিনা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

তবে মামলা দায়েরের দুদিন অতিবাহিত হলেও আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে পাথর উত্তোলনের সময় ঝড়ের কবলে পড়ে পাথর শ্রমিক জহির আলমের (২০) মৃত্যু হয়। তিনি সিলেট শহরতলীর নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি কেএম নজরুল যুগান্তরকে জানান, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন রাতে পুলিশ-বিজিবি ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে ম্যানেজ করে বাঙ্কার এলাকায় রেলওয়ের ভূমি কেটে চলে পাথর উত্তোলন। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহাব উদ্দিন, রাসেল মিয়া ও যুবলীগ নেতা কেফায়েত উল্লার একটি চক্র মিলে প্রতিটি নৌকা থেকে ৩ হাজার টাকা আদায় করে পাথর উত্তোলনের ব্যবস্থা করে দেন। নিজেরা এক হাজার ৫০০ টাকা রেখে বাকিটা প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে ব্যয় করেন তারা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবীদ সমিতি (বেলা) সিলেটের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহ সাহেদা আক্তার যুগান্তরকে বলেন, প্রশাসন থেকে বারবার বলা হয় পাথর উত্তোলন বন্ধ। কিন্তু কয়েক দিন পর পর শ্রমিকদের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে এটাই প্রমাণ হয় যে, অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন থেমে নেই। পাথর শ্রমিক জহিরের মৃত্যুই তার প্রমাণ।

সিলেটে শ্রমিকের মৃত্যু

তিন পাথরখেকোর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার নেই

 সিলেট ব্যুরো 
১৮ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ বাঙ্কার এলাকায় অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের সময় ঝড়ের কবলে পড়ে শ্রমিক নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাসেল মিয়া (৩২), শাহাবুদ্দিন (৩৫) ও যুবলীগ নেতা কেফায়েত উল্লাসহ (২৮) অজ্ঞাত ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়। নিহত শ্রমিক জহিরের মা রিনা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

তবে মামলা দায়েরের দুদিন অতিবাহিত হলেও আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে পাথর উত্তোলনের সময় ঝড়ের কবলে পড়ে পাথর শ্রমিক জহির আলমের (২০) মৃত্যু হয়। তিনি সিলেট শহরতলীর নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি কেএম নজরুল যুগান্তরকে জানান, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন রাতে পুলিশ-বিজিবি ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে ম্যানেজ করে বাঙ্কার এলাকায় রেলওয়ের ভূমি কেটে চলে পাথর উত্তোলন। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শাহাব উদ্দিন, রাসেল মিয়া ও যুবলীগ নেতা কেফায়েত উল্লার একটি চক্র মিলে প্রতিটি নৌকা থেকে ৩ হাজার টাকা আদায় করে পাথর উত্তোলনের ব্যবস্থা করে দেন। নিজেরা এক হাজার ৫০০ টাকা রেখে বাকিটা প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে ব্যয় করেন তারা।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবীদ সমিতি (বেলা) সিলেটের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহ সাহেদা আক্তার যুগান্তরকে বলেন, প্রশাসন থেকে বারবার বলা হয় পাথর উত্তোলন বন্ধ। কিন্তু কয়েক দিন পর পর শ্রমিকদের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে এটাই প্রমাণ হয় যে, অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন থেমে নেই। পাথর শ্রমিক জহিরের মৃত্যুই তার প্রমাণ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন