সিংগাইরে হেফজাত নেতা আইয়ূবী গ্রেফতার
jugantor
সিংগাইরে হেফজাত নেতা আইয়ূবী গ্রেফতার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেফতার ১২ কর্মী-সমর্থক

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৩ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের হাতনী গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ চলাকালে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও ৮ জন হেফাজতকর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় হওয়া মামলায় এ পর্যন্ত ৩৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কারও নাম জানায়নি পুলিশ। এছাড়া বাঞ্ছারামপুরে ফেসবুকে রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস দেওয়ায় আরও ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার হওয়া আটজনকেও একইভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থক। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতে নেওয়া হয়।

গ্রেফতার হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবীর বাড়ি সিংগাইর পৌর এলাকার আজিমপুর মহল্লায়। তিনি ওই এলাকার হাফেজ মাওলানা জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

খালেদ সাইফুল্লাহর ছোট ভাই মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান আইয়ূবী বলেন, আমার ভগ্নিপতি মাওলানা মো. আশরাফুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার হাতনী গ্রাম থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সেহরি খাওয়ার পরে আমার ভাইকে গ্রেফতার করে ঢাকায় নিয়ে যায়। আমরা বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলা করব।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনায় খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবীর বিরুদ্ধে পল্টন থানায় মামলা ছিল। বৃহস্পতিবার তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার হয়।

বাঞ্ছারামপুরে ৪ হেফাজত কর্মীকে ছাড়াতে আওয়ামী লীগ নেতার তদবির : বাঞ্ছারাপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের ৪ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তাদের থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে ফরদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ গভীর রাত পর্যন্ত তদবির করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে আব্দুল আজিজ যুগান্তরকে বলেন, এলাকার লোকজন আমাকে বলায় থানায় গিয়েছিলাম তাদের ব্যাপারে কথা বলতে। পরে ওসি সাহেব বলল ছেলেরা নাকি ফেসবুকে হেফাজতের নেতা মামুনুল হকের পক্ষে এবং রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক লেখা লিখছে। পরে আমি থানা থেকে চলে আসি।

সিংগাইরে হেফজাত নেতা আইয়ূবী গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্রেফতার ১২ কর্মী-সমর্থক
 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৩ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের হাতনী গ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ চলাকালে হামলা, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও ৮ জন হেফাজতকর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসব ঘটনায় হওয়া মামলায় এ পর্যন্ত ৩৩৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কারও নাম জানায়নি পুলিশ। এছাড়া বাঞ্ছারামপুরে ফেসবুকে রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস দেওয়ায় আরও ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ও স্থিরচিত্র দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার হওয়া আটজনকেও একইভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থক। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতে নেওয়া হয়।

গ্রেফতার হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবীর বাড়ি সিংগাইর পৌর এলাকার আজিমপুর মহল্লায়। তিনি ওই এলাকার হাফেজ মাওলানা জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

খালেদ সাইফুল্লাহর ছোট ভাই মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান আইয়ূবী বলেন, আমার ভগ্নিপতি মাওলানা মো. আশরাফুল ইসলামের বাড়ি উপজেলার হাতনী গ্রাম থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সেহরি খাওয়ার পরে আমার ভাইকে গ্রেফতার করে ঢাকায় নিয়ে যায়। আমরা বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলা করব।

জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনায় খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবীর বিরুদ্ধে পল্টন থানায় মামলা ছিল। বৃহস্পতিবার তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার হয়।

বাঞ্ছারামপুরে ৪ হেফাজত কর্মীকে ছাড়াতে আওয়ামী লীগ নেতার তদবির : বাঞ্ছারাপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস দেওয়ার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের ৪ কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। তাদের থানা থেকে ছাড়িয়ে নিতে ফরদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ গভীর রাত পর্যন্ত তদবির করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে আব্দুল আজিজ যুগান্তরকে বলেন, এলাকার লোকজন আমাকে বলায় থানায় গিয়েছিলাম তাদের ব্যাপারে কথা বলতে। পরে ওসি সাহেব বলল ছেলেরা নাকি ফেসবুকে হেফাজতের নেতা মামুনুল হকের পক্ষে এবং রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক লেখা লিখছে। পরে আমি থানা থেকে চলে আসি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন